ময়মনসিংহের নান্দাইলে এক প্রতিবন্ধী যুবককে (২১) সন্তান দাবি করেছেন দুই পরিবার। এ নিয়ে এক পরিবার বলছে ওই যুবকের নাম কাজী আলভী। অপর পরিবার বলছে তার নাম মিলন মিয়া।
এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের শালিসে ওই যুবকের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ টেস্টের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার ( ২২ সেপ্টেম্বর ) দুপুরে উপজেলার শেরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁইয়া মিল্টন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ওই প্রতিবন্ধী যুবক বর্তমানে উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের হাসেনপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে পরিচয়ে বসবাস করছে।
তবে সমস্যাটি সমাধানে ওই যুবকের আসল পরিচয় শনাক্তের জন্য ডিএনএ টেস্টের পরামর্শ দিয়েছে মো: মোয়াজ্জেম হোসেন।
জানা গেছে, সম্প্রতি পাঁচরুখি গ্রামের মাইক্রোবাস মালিক সোহাগ মিয়া ওই প্রতিবন্ধী যুবককে নিয়ে টিকটক ভিডিও তৈরি করে নিজের আইডিতে পোষ্ট করে। এ ভিডিও দেখে যুবককে নিজেদের সন্তান হিসেবে চিহ্নিত করে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার তাড়াবো পৌরসভার কাজী পরিবার।
তবে আবুল কালামের দাবি, ঢাকায় বসবাস করার সময় মিলন নামে তাদের এক ছেলে হারিয়ে যায়। হারানোর আট মাস পর হাতিরঝিল এলাকা থেকে মিলনকে খোঁজে পান তারা। এর কয়েক বছর পর তারা গ্রামের বাড়িতে চলে আসে।
ওই প্রতিবন্ধী যুবক বর্তমানে উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের হাসেনপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে পরিচয়ে বসবাস করছে।
সম্প্রতি স্থানীয় পাঁচরুখি গ্রামের মাইক্রোবাস মালিক সোহাগ মিয়া ওই প্রতিবন্ধী যুবককে নিয়ে টিকটক ভিডিও তৈরি করে নিজের আইডিতে পোস্ট করে।
এই টিকটক ভিডিও দেখে মিলনকে নিজেদের সন্তান হিসেবে চিহ্নিত করে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার তাড়াবো পৌরসভার কাজী পরিবার।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ওই যুবকের চাচা দাবি করা কাজী আক্তার হোসেন বলেন, এ প্রতিবন্ধী ছেলেটি আমার ভাতিজা। জন্মসূত্রে তার নাম কাজী আলভী। তার বাবার নাম কাজী অরুণ।
তিনি আরও জানান, আলভীর জন্ম ২০০০ সালে। সে ১৬ বছর বয়সে ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে বাসা থেকে সবার অজান্তেই বের হয়ে যায়।
এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান আকন্দ বলেন, বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান দেখেছেন। এতে সমাধান না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















