০১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

‘ত্রুটি ছিল না ইউএস-বাংলার বিধ্বস্ত ফ্লাইটে’

ইউএস-বাংলার ফ্লাইট সংক্রান্ত কাগজপত্রে কোনো ত্রুটি ছিল না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটির তদন্ত কমিটির প্রধান ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন এম রহমতুল্লাহ।

রবিবার সকাল ১০টায় সিভিল এভিয়েশন অফিসে তিনি একথা জানান। প্লেন দুর্ঘটনার কারণ তদন্তে রবিবার তিনি নেপাল যাবেন।

তিনি বলেন, ‘ইউএস বাংলা অত্যন্ত স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখে। তাদের পাইলট, এয়ারক্রাফটসহ সব কাগজপত্র ভেরিফাই করে দেখেছি, সব ঠিক আছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ব্ল্যাক বক্স বা ফ্লাইট রেকর্ডার আমরা সংগ্রহ করেছি। এছাড়া ককপিট সংগ্রহ করে রেখেছি। এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) এবং পাইলটের কথাবার্তা আপনারা শুনেছেন। ককপিটে পাইলটদের কথাবার্তাও আছে। আমরা সেগুলোও বিশ্লেষণ করে দেখবো। প্লেনের গতি কোন দিক থেকে কোন দিকে গেছে, কেন গেছে, তার সঙ্গে কি কথাবার্তা হয়েছে সেসবও বিশ্লেষণ করবো। কোনো রকম গোলমাল দেখেছিলো কি না বা টের পেয়েছিলো কি না- এগুলো সব আমরা একেবারে যথাযথভাবে বিশ্লেষণ করবো।

কানাডায় ব্ল্যাক বক্স পাঠানোর বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা নিজেরা যাবো ব্ল্যাক বক্সের সঙ্গে। আমাদের মেইন থিম হচ্ছে, আমরা ঘটনাটা বিশ্বকে জানাবো যেন ভবিষ্যতে এরকম ঘটনা আর না হয়। এখন ব্ল্যাক বক্সটি নেপালে লক করা আছে ওটা নিরাপদ আছে। ওটাতে কেউ হাত দেবে না।

সালাউদ্দিন এম রহমতুল্লাহ বলেন, কাঠমান্ডুর বিমানবন্দর অত্যন্ত জটিল কিন্তু পাইলটের জন্য আসলে এটা জটিল না। পাইলটরা যথেষ্ট দক্ষতা রাখে এরপরই তাদের পাঠানো হয়। আমরা চেক করি। প্রতিটি পাইলট ৬ মাস অন্তর অন্তর সিমুলেটরসহ পরীক্ষা দেন এবং প্রচুর পড়াশোনা করেন।

তদন্ত কমিটি প্রধান বলেন, তার আগে তাদের দীর্ঘ পড়াশোনা শেষ করতে হয়। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাদের জ্ঞান অর্জন করতে হয়। আর ইউএস-বাংলার ফ্লাইট এবং তার কাগজপত্র আমি নিজে ভেরিফাই করে দেখেছি, সব ঠিক আছে। তারা বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনায় অত্যন্ত স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখে।

গত ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয় ফ্লাইট বিএস২১১। এতে প্লেনের ৭১ আরোহীর মধ্যে ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ফ্লাইটটির পাইলট, কো-পাইলট, ক্রুসহ ২৬ বাংলাদেশি আরোহী রয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

‘ত্রুটি ছিল না ইউএস-বাংলার বিধ্বস্ত ফ্লাইটে’

প্রকাশিত : ১২:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮

ইউএস-বাংলার ফ্লাইট সংক্রান্ত কাগজপত্রে কোনো ত্রুটি ছিল না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটির তদন্ত কমিটির প্রধান ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন এম রহমতুল্লাহ।

রবিবার সকাল ১০টায় সিভিল এভিয়েশন অফিসে তিনি একথা জানান। প্লেন দুর্ঘটনার কারণ তদন্তে রবিবার তিনি নেপাল যাবেন।

তিনি বলেন, ‘ইউএস বাংলা অত্যন্ত স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখে। তাদের পাইলট, এয়ারক্রাফটসহ সব কাগজপত্র ভেরিফাই করে দেখেছি, সব ঠিক আছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ব্ল্যাক বক্স বা ফ্লাইট রেকর্ডার আমরা সংগ্রহ করেছি। এছাড়া ককপিট সংগ্রহ করে রেখেছি। এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) এবং পাইলটের কথাবার্তা আপনারা শুনেছেন। ককপিটে পাইলটদের কথাবার্তাও আছে। আমরা সেগুলোও বিশ্লেষণ করে দেখবো। প্লেনের গতি কোন দিক থেকে কোন দিকে গেছে, কেন গেছে, তার সঙ্গে কি কথাবার্তা হয়েছে সেসবও বিশ্লেষণ করবো। কোনো রকম গোলমাল দেখেছিলো কি না বা টের পেয়েছিলো কি না- এগুলো সব আমরা একেবারে যথাযথভাবে বিশ্লেষণ করবো।

কানাডায় ব্ল্যাক বক্স পাঠানোর বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা নিজেরা যাবো ব্ল্যাক বক্সের সঙ্গে। আমাদের মেইন থিম হচ্ছে, আমরা ঘটনাটা বিশ্বকে জানাবো যেন ভবিষ্যতে এরকম ঘটনা আর না হয়। এখন ব্ল্যাক বক্সটি নেপালে লক করা আছে ওটা নিরাপদ আছে। ওটাতে কেউ হাত দেবে না।

সালাউদ্দিন এম রহমতুল্লাহ বলেন, কাঠমান্ডুর বিমানবন্দর অত্যন্ত জটিল কিন্তু পাইলটের জন্য আসলে এটা জটিল না। পাইলটরা যথেষ্ট দক্ষতা রাখে এরপরই তাদের পাঠানো হয়। আমরা চেক করি। প্রতিটি পাইলট ৬ মাস অন্তর অন্তর সিমুলেটরসহ পরীক্ষা দেন এবং প্রচুর পড়াশোনা করেন।

তদন্ত কমিটি প্রধান বলেন, তার আগে তাদের দীর্ঘ পড়াশোনা শেষ করতে হয়। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাদের জ্ঞান অর্জন করতে হয়। আর ইউএস-বাংলার ফ্লাইট এবং তার কাগজপত্র আমি নিজে ভেরিফাই করে দেখেছি, সব ঠিক আছে। তারা বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনায় অত্যন্ত স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখে।

গত ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয় ফ্লাইট বিএস২১১। এতে প্লেনের ৭১ আরোহীর মধ্যে ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ফ্লাইটটির পাইলট, কো-পাইলট, ক্রুসহ ২৬ বাংলাদেশি আরোহী রয়েছেন।