০২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমার থেকে আমদানি ২৮০০ টন পেঁয়াজ

মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বরের পর থেকে পেঁয়াজ আসতে শুরু করে। ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে অনেক ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় দেশে গত এক সপ্তাহে ২৮০০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। ভারতীয় পেঁয়াজের চেয়ে তুলনামূলক কম দাম হওয়ায় মিয়ানমারের পেঁয়াজের দিকে ঝুঁকছেন আমদানিকারকরা।

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারের পাইকারদের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার সেখানে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬৫ টাকায়, ভারতীয় পেঁয়াজ ৫৫ টাকায় এবং মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৫০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে সব পেঁয়াজের দাম ১৫ টাকা করে কম ছিল।

টেকনাফ স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভারতে পেঁয়াজের দামে অস্থিরতা শুরুর পর থেকেই এই বন্দর দিয়ে মিয়ানমারের পেঁয়াজ আমদানি বাড়তে শুরু করে। গত ১০ দিনে দুই হাজার ৮০০ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে মিয়ানমার থেকে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, টেকনাফ বন্দরে ২০ সেপ্টেম্বরের আগে দু-এক দিন পর পর পেঁয়াজের নৌকা আসত। এখন প্রতিদিন দু-তিনটি নৌকা আসছে পেঁয়াজ নিয়ে। তবে মিয়ানমারের পেঁয়াজের চাহিদা বাড়ায় দামও কিছুটা বেড়েছে। অবশ্য তা ভারতের চেয়ে কম। টেকনাফ স্থলবন্দর পর্যন্ত ২০ সেপ্টেম্বরের আগে পেঁয়াজের দাম পড়ত ৩১ টাকা। গত বৃহস্পতিবার টেকনাফ পর্যন্ত দাম পড়ছে ৪০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে ৯ টাকা দাম বেড়েছে।

জানা গেছে, এখন সরকারিভাবে পেঁয়াজ আনার সুযোগ নেই। মিয়ানমারে লকডাউন থাকায় বিভিন্ন কোম্পানি, ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তিতে পেঁয়াজ আমদানি করছেন দেশের ব্যবসায়ীরা।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

মিয়ানমার থেকে আমদানি ২৮০০ টন পেঁয়াজ

প্রকাশিত : ০৩:০৮:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অক্টোবর ২০২১

মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বরের পর থেকে পেঁয়াজ আসতে শুরু করে। ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে অনেক ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় দেশে গত এক সপ্তাহে ২৮০০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। ভারতীয় পেঁয়াজের চেয়ে তুলনামূলক কম দাম হওয়ায় মিয়ানমারের পেঁয়াজের দিকে ঝুঁকছেন আমদানিকারকরা।

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারের পাইকারদের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার সেখানে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬৫ টাকায়, ভারতীয় পেঁয়াজ ৫৫ টাকায় এবং মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৫০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে সব পেঁয়াজের দাম ১৫ টাকা করে কম ছিল।

টেকনাফ স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভারতে পেঁয়াজের দামে অস্থিরতা শুরুর পর থেকেই এই বন্দর দিয়ে মিয়ানমারের পেঁয়াজ আমদানি বাড়তে শুরু করে। গত ১০ দিনে দুই হাজার ৮০০ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে মিয়ানমার থেকে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, টেকনাফ বন্দরে ২০ সেপ্টেম্বরের আগে দু-এক দিন পর পর পেঁয়াজের নৌকা আসত। এখন প্রতিদিন দু-তিনটি নৌকা আসছে পেঁয়াজ নিয়ে। তবে মিয়ানমারের পেঁয়াজের চাহিদা বাড়ায় দামও কিছুটা বেড়েছে। অবশ্য তা ভারতের চেয়ে কম। টেকনাফ স্থলবন্দর পর্যন্ত ২০ সেপ্টেম্বরের আগে পেঁয়াজের দাম পড়ত ৩১ টাকা। গত বৃহস্পতিবার টেকনাফ পর্যন্ত দাম পড়ছে ৪০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে ৯ টাকা দাম বেড়েছে।

জানা গেছে, এখন সরকারিভাবে পেঁয়াজ আনার সুযোগ নেই। মিয়ানমারে লকডাউন থাকায় বিভিন্ন কোম্পানি, ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তিতে পেঁয়াজ আমদানি করছেন দেশের ব্যবসায়ীরা।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ