০৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশেবাসীর কাছে সহযোগিতা আহ্বান করে বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে, সেটা যেন অব্যাহত থাকে, যেন থেমে না যায়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে এ সহযোগিতার আহ্বান করেন প্রধানমন্ত্রী। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে বাংলাদেশের যোগ্যতা অর্জনে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে বলেছিলেন, বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না, সেটা আজ প্রমাণ হয়েছে। কেউ দাবায়ে রাখতে পারেনি। আজ আমরা উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন করেছি। উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে, তা যেন অব্যাহত থাকে, যেন থেমে না যায়, সেজন্য দেশবাসীর কাছে সহযোগিতা চাই।

তিনি বলেন, মানুষ নানা কারণে রাজনীতি করে। কেউ রাজনীতি করে নিজের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য, নিজের সমৃদ্ধ জীবনের জন্য। আমি রাজনীতি শিখেছি বাবার কাছ থেকে, জনগণের ভাগ্যোন্নয়ন করতে। নিজের ভাগ্যোন্নয়ন করতে নয়।

বাংলাদেশের এ যোগ্যতা অর্জনে আওয়ামী লীগ ও এর নেতৃত্বে গঠিত সরকারের কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সরকার গঠনের পর বেশি গুরুত্ব দিই গ্রামের দিকে। তৃণমূল পর্যায়ে আমরা উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করি। এর পাশাপাশি খাদ্য কর্মসূচি, বাসস্থানের জন্য গুচ্ছগ্রাম ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেটের ব্যবস্থা করি। পাশাপাশি ঢাকার বস্তিগুলোর দিকেও নজর দেই। বস্তির মানুষগুলোকে প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ব্যবস্থা করে দিই। তাদের জীবনযাত্রার উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে জাতির পিতা যেখানে রেখে গিয়েছিলেন সেখান থেকে আমরা এক ধাপ এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছি। তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো আরও আগে আমরা এই অর্জন পেতাম। এই অর্জন আমাদের ধরে রাখতে হবে। বাঙালি জাতি যুদ্ধ করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছে। আমরা মাথা উঁচু করে চলতে চাই। আমরা কেন অন্যের কাছে হাত পেতে থাকবো? আমরা যে পারি তা আজ প্রমাণ করেছি।

এ সফলতা অর্জনে জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা আমাদের নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছেন বলেই আজ বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা সম্ভব হয়েছে। সামনের দিনেও এই সহযোগিতা আমরা চাই। উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা বজায় থাকলে ২০২১ সালের মধ্যে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের সারিতে পৌঁছাবো।

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জনের ঐতিহাসিক সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হয়।

বক্তৃতার আগে শেখ হাসিনার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরণের সনদপত্র তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে স্বীকৃতির সনদপত্র প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করার পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উন্মোচন করা হয় স্মারক ডাকটিকিট। মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এরপর বিশেষ এই উৎসব উপলক্ষে ৭০ টাকা মূল্যের একটি স্মারক নোট উন্মোচন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। নোটটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন অর্থমন্ত্রী।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু প্রধানমন্ত্রী ১০ বিশেষ অর্জনের তথ্য সম্বলিত একটি ফটো অ্যালবাম প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

পরে বিচার বিভাগ, সংসদে প্রধান বিরোধী দল, ক্ষমতাসীন দল, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রতিনিধিদল, তিন বাহিনীর প্রধানসহ বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অনন্য অর্জন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা স্মারকসহ ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

এছাড়া স্বল্প সময়ে বাংলাদেশের এই অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ, এডিবি, ইউএসএআইডি ও জাইকা প্রধানরা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। তারা বলেন, সংস্থাগুলো চিরকাল বাংলাদেশের পাশে থাকবে।

পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, শ্রমজীবী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।

স্বল্পোন্নত দেশের গ্রুপ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনে বর্তমান সরকারের ঐতিহাসিক সাফল্য সর্বস্তরে উদযাপন করতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়।

এছাড়া দুপুরে রাজধানীর নয়টি স্থান থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শেষ হবে। সন্ধ্যায় সেখানে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

একইভাবে দেশব্যাপী ২২ থেকে ২৮ মার্চ র‌্যালির আয়োজন করা হবে। সেখানে বিভিন্ন খাতে সরকারের সাফল্য তুলে ধরা হবে।

স্থানীয় প্রশাসন ছবি প্রদর্শনী, চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলার আয়োজন এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের ওপর ভিডিও প্রদর্শন করবে।

এলডিসি থেকে উত্তরণে দেশের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ বিষয়ে শুক্রবার বিআইসিসিতে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেশের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০২:০০:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশেবাসীর কাছে সহযোগিতা আহ্বান করে বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে, সেটা যেন অব্যাহত থাকে, যেন থেমে না যায়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে এ সহযোগিতার আহ্বান করেন প্রধানমন্ত্রী। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে বাংলাদেশের যোগ্যতা অর্জনে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে বলেছিলেন, বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না, সেটা আজ প্রমাণ হয়েছে। কেউ দাবায়ে রাখতে পারেনি। আজ আমরা উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন করেছি। উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে, তা যেন অব্যাহত থাকে, যেন থেমে না যায়, সেজন্য দেশবাসীর কাছে সহযোগিতা চাই।

তিনি বলেন, মানুষ নানা কারণে রাজনীতি করে। কেউ রাজনীতি করে নিজের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য, নিজের সমৃদ্ধ জীবনের জন্য। আমি রাজনীতি শিখেছি বাবার কাছ থেকে, জনগণের ভাগ্যোন্নয়ন করতে। নিজের ভাগ্যোন্নয়ন করতে নয়।

বাংলাদেশের এ যোগ্যতা অর্জনে আওয়ামী লীগ ও এর নেতৃত্বে গঠিত সরকারের কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সরকার গঠনের পর বেশি গুরুত্ব দিই গ্রামের দিকে। তৃণমূল পর্যায়ে আমরা উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করি। এর পাশাপাশি খাদ্য কর্মসূচি, বাসস্থানের জন্য গুচ্ছগ্রাম ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেটের ব্যবস্থা করি। পাশাপাশি ঢাকার বস্তিগুলোর দিকেও নজর দেই। বস্তির মানুষগুলোকে প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ব্যবস্থা করে দিই। তাদের জীবনযাত্রার উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে জাতির পিতা যেখানে রেখে গিয়েছিলেন সেখান থেকে আমরা এক ধাপ এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছি। তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো আরও আগে আমরা এই অর্জন পেতাম। এই অর্জন আমাদের ধরে রাখতে হবে। বাঙালি জাতি যুদ্ধ করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছে। আমরা মাথা উঁচু করে চলতে চাই। আমরা কেন অন্যের কাছে হাত পেতে থাকবো? আমরা যে পারি তা আজ প্রমাণ করেছি।

এ সফলতা অর্জনে জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা আমাদের নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছেন বলেই আজ বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা সম্ভব হয়েছে। সামনের দিনেও এই সহযোগিতা আমরা চাই। উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা বজায় থাকলে ২০২১ সালের মধ্যে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের সারিতে পৌঁছাবো।

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জনের ঐতিহাসিক সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হয়।

বক্তৃতার আগে শেখ হাসিনার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরণের সনদপত্র তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে স্বীকৃতির সনদপত্র প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করার পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উন্মোচন করা হয় স্মারক ডাকটিকিট। মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এরপর বিশেষ এই উৎসব উপলক্ষে ৭০ টাকা মূল্যের একটি স্মারক নোট উন্মোচন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। নোটটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন অর্থমন্ত্রী।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু প্রধানমন্ত্রী ১০ বিশেষ অর্জনের তথ্য সম্বলিত একটি ফটো অ্যালবাম প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

পরে বিচার বিভাগ, সংসদে প্রধান বিরোধী দল, ক্ষমতাসীন দল, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রতিনিধিদল, তিন বাহিনীর প্রধানসহ বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অনন্য অর্জন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা স্মারকসহ ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

এছাড়া স্বল্প সময়ে বাংলাদেশের এই অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ, এডিবি, ইউএসএআইডি ও জাইকা প্রধানরা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। তারা বলেন, সংস্থাগুলো চিরকাল বাংলাদেশের পাশে থাকবে।

পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, শ্রমজীবী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।

স্বল্পোন্নত দেশের গ্রুপ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনে বর্তমান সরকারের ঐতিহাসিক সাফল্য সর্বস্তরে উদযাপন করতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়।

এছাড়া দুপুরে রাজধানীর নয়টি স্থান থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শেষ হবে। সন্ধ্যায় সেখানে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

একইভাবে দেশব্যাপী ২২ থেকে ২৮ মার্চ র‌্যালির আয়োজন করা হবে। সেখানে বিভিন্ন খাতে সরকারের সাফল্য তুলে ধরা হবে।

স্থানীয় প্রশাসন ছবি প্রদর্শনী, চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলার আয়োজন এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের ওপর ভিডিও প্রদর্শন করবে।

এলডিসি থেকে উত্তরণে দেশের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ বিষয়ে শুক্রবার বিআইসিসিতে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত।