জ্যোতিকা জ্যোতি অভিনীত ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে ১০ ডিসেম্বর। সম্প্রতি বিনা কর্তনে সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’। ২০১৪-১৫ সালের সরকারি অনুদানে পাণ্ডুলিপি কারখানা প্রযোজিত এই সিনেমার কাহিনি, সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন নূরুল আলম আতিক।
১৯৭১ সাল। বাংলাদেশ এক বন্দিশালা। বিহারি অধ্যুষিত ছোট এক শহর। সেখানে ব্রিটিশদের গড়া বিমানবন্দরটি সচল করতে আর্মি আসে। পাকিস্তানি আর্মির উপস্থিতিতে জনপদে ঘটে যাওয়া কাহিনি নিয়ে নির্মিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’।
পাণ্ডুলিপি কারখানার ব্যানারে নির্মিত এই ছবিটি ১০ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন জ্যোতি। তিনি ফেসবুকে ক্ষুদে বার্তায় বলেন. ১০ডিসেম্বর মুক্তি পেতে যাচ্ছে আমার অভিনীত ৯ম চলচ্চিত্র “লাল মোরগের ঝুঁটি”। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশ সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত, নির্মাতা-নুরুল আলম আতিক।
অনেক বাঁধা-বিপত্তি-স্মৃতি-অপেক্ষা-প্রতীক্ষা পেরিয়ে স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তীতে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি । আমি আশা করি স্বাধীনতার ৫০বছর পূর্তির প্রাক্কালে এই চলচ্চিত্র বাংলাদেশের মুক্তির ইতিহাসে দাগ রেখে যাবে।
জ্যোতিকা জ্যোতি ছাড়াও ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ ছবিতে অভিনয় করেছেন- লায়লা হাসান, আহমেদ রুবেল, অশোক ব্যাপারী, আশীষ খন্দকার, জয়রাজ, শিল্পী সরকার অপু, ইলোরা গওহর, আশনা হাবিব ভাবনা, দিলরুবা দোয়েল, স্বাগতা, অনন্ত মুনির অন্তু (সদ্য প্রয়াত), শাহজাহান সম্রাট, জোবায়ের, দীপক সুমন প্রমুখ।
ছবিটি নিয়ে নূরুল আলম আতিক বলেন, ‘আমাদের সিনেমায় মহান মুক্তিযুদ্ধ একরৈখিকভাবে উপস্থাপিত হয়, এর বাইরেও অসংখ্য প্রেক্ষাপট রয়েছে, লাল মোরগের ঝুঁটি তেমন একটি প্রচেষ্টা।’ প্রযোজক মাতিয়া বানু শুকু বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরে লাল মোরগের ঝুঁটিকে বলব সিনেমার মুক্তিযুদ্ধ। নির্মাণ প্রক্রিয়ায় নানা প্রতিবন্ধকার পরও আমরা ছবিটা শেষ করেছি। বাংলাদেশের ৫০ বছর উদযাপনের এই সময়ে আমাদের নিবেদন লাল মোরগের ঝুঁটি।’
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ


























