০২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

ট্রাব বিজয়ের সূবর্ণজয়ন্তী সম্মাননায় শাহীন সামাদ ও রফিকুল আলম

টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ ট্রাব-এর উদ্যোগে আগামী ২৯ ডিসেম্বর ঢাকার মিরপুরের প্রিয়াঙ্কা শুটিং জোনে বরেণ্য সংগীত ব্যক্তিত্ব শাহীন সামাদ ও রফিকুল আলম ট্রাব বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী সম্মাননায় ভূষিত করা হবে।মহান বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের বিদায় লগ্নটিকে উত্সবমুখর করার প্রয়াসে দিনব্যাপী আলোচনা, বনভোজন ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাদেরকে এই সম্মাননা প্রদান করা কবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি। বিশেষ অতিথি থাকবেন অধ্যক্ষ বেগম রওশন আরা মান্নান এমপি। সভাপতিত্ব করবেন ট্রাবের সভাপতি সালাম মাহমুদ।
শাহীন সামাদ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের একজন শিল্পী ছিলেন। তিনি ৩৬টি দেশাত্মবোধক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল “তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর”, “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি”, “রক্তের প্রতিশোধ রক্তেই নেব আমরা”। এছাড়া এ সময়ে তিনি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী “বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থা”য় যোগ দেন। তারা বিভিন্ন রিফিউজি ক্যাম্পে এবং মুক্ত অঞ্চল এলাকায় ঘুরে ঘুরে মুক্তিযোদ্ধাদের ও সাধারণ মানুষকে যুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করতেন, পুতুল খেলা ও মঞ্চ নাটকের আয়োজন করতেন।তিনি শিল্পকলায় একুশে পদক (২০১৬),সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ পুরস্কার (২০০৯),৯ম উত্তর আমেরিকা নজরুল সম্মেলন পুরস্কার (২০০৪),বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী পুরস্কার (২০০২),সেতুবন্ধন পুরস্কার (২০০১)
আমরা সূর্যমুখী পুরস্কার (২০০০),জাতীয় প্রেস ক্লাব পুরস্কার (২০০০),পৌষ মেলা পুরস্কার (২০০০),বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনার পুরস্কার (১৯৯৯),বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন পুরস্কার (১৯৯৮),শ্যামলীর রোটারি ক্লাব পুরস্কার (১৯৯৭),দিলিপ কুমার রায় শতবর্ষ পুরস্কার (১৯৯৭)সহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।দেশের বরেন্য একজন সংগীতশিল্পী রফিকুল আলম। তিনি ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র এর শিল্পী ছিলেন । তিনি প্লেব্যাক গায়ক চলচ্চিত্রের জন্য ৩০০ এর অধিক প্লেব্যাক গান করেছেন।রফিকুল আলম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ২৯টি গান গেয়েছেন ।তিনি দু’বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি-বাচসাস পুরস্কার,বিসিআরএ অ্যাওয়ার্ডসহ অনেক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, দেশের টেলিভিশন চ্যানেল ও জাতীয় দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক পত্রিকার বিনোদন সাংবাদিকদের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী সংগঠন টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব) গত ২৭ বছর ধরে ট্রাব অ্যাওয়ার্ড প্রদান, প্রতিবন্ধীদের হুইল চেয়ার প্রদান, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালনসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

জনপ্রিয়

ট্রাব বিজয়ের সূবর্ণজয়ন্তী সম্মাননায় শাহীন সামাদ ও রফিকুল আলম

প্রকাশিত : ০৫:২৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১

টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ ট্রাব-এর উদ্যোগে আগামী ২৯ ডিসেম্বর ঢাকার মিরপুরের প্রিয়াঙ্কা শুটিং জোনে বরেণ্য সংগীত ব্যক্তিত্ব শাহীন সামাদ ও রফিকুল আলম ট্রাব বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী সম্মাননায় ভূষিত করা হবে।মহান বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের বিদায় লগ্নটিকে উত্সবমুখর করার প্রয়াসে দিনব্যাপী আলোচনা, বনভোজন ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাদেরকে এই সম্মাননা প্রদান করা কবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি। বিশেষ অতিথি থাকবেন অধ্যক্ষ বেগম রওশন আরা মান্নান এমপি। সভাপতিত্ব করবেন ট্রাবের সভাপতি সালাম মাহমুদ।
শাহীন সামাদ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের একজন শিল্পী ছিলেন। তিনি ৩৬টি দেশাত্মবোধক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল “তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর”, “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি”, “রক্তের প্রতিশোধ রক্তেই নেব আমরা”। এছাড়া এ সময়ে তিনি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী “বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থা”য় যোগ দেন। তারা বিভিন্ন রিফিউজি ক্যাম্পে এবং মুক্ত অঞ্চল এলাকায় ঘুরে ঘুরে মুক্তিযোদ্ধাদের ও সাধারণ মানুষকে যুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করতেন, পুতুল খেলা ও মঞ্চ নাটকের আয়োজন করতেন।তিনি শিল্পকলায় একুশে পদক (২০১৬),সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ পুরস্কার (২০০৯),৯ম উত্তর আমেরিকা নজরুল সম্মেলন পুরস্কার (২০০৪),বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী পুরস্কার (২০০২),সেতুবন্ধন পুরস্কার (২০০১)
আমরা সূর্যমুখী পুরস্কার (২০০০),জাতীয় প্রেস ক্লাব পুরস্কার (২০০০),পৌষ মেলা পুরস্কার (২০০০),বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনার পুরস্কার (১৯৯৯),বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন পুরস্কার (১৯৯৮),শ্যামলীর রোটারি ক্লাব পুরস্কার (১৯৯৭),দিলিপ কুমার রায় শতবর্ষ পুরস্কার (১৯৯৭)সহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।দেশের বরেন্য একজন সংগীতশিল্পী রফিকুল আলম। তিনি ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র এর শিল্পী ছিলেন । তিনি প্লেব্যাক গায়ক চলচ্চিত্রের জন্য ৩০০ এর অধিক প্লেব্যাক গান করেছেন।রফিকুল আলম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ২৯টি গান গেয়েছেন ।তিনি দু’বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি-বাচসাস পুরস্কার,বিসিআরএ অ্যাওয়ার্ডসহ অনেক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, দেশের টেলিভিশন চ্যানেল ও জাতীয় দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক পত্রিকার বিনোদন সাংবাদিকদের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী সংগঠন টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব) গত ২৭ বছর ধরে ট্রাব অ্যাওয়ার্ড প্রদান, প্রতিবন্ধীদের হুইল চেয়ার প্রদান, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালনসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ