০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪

কালকের মধ্যে আমার সিদ্ধান্ত: আকরাম

ক্রিকেট অপারেন্স কমিটির প্রধান হিসেবে আর থাকছেন না আকরাম খান- এমন একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দেন তার স্ত্রী সাবিনা আকরাম। গত দুই দিন ধরে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এমন সময় মুঠোফোন অনেকটা সময় বন্ধও রাখেন আকরাম খান। আর খুললেও সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি। তবে হঠাৎ করেই আজ বিকেলে তিনি নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে জানান পারিবারিক করণে সরে যাচ্ছেন এই পদ থেকে। যদিও গুঞ্জন রয়েছে টাইগারদের টানা ব্যর্থতার কারণে তাকে এই পদ থেকে সরিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

৬ই অক্টোবর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিবিসি) নির্বাচনে নির্বাচিত হয় আগামী চার বছরের জন্য ২৩ জন পরিচালক।

গঠিত হয় নয়া পরিচালনা পর্ষদ। কিন্তু পরিচালকদের বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটিগুলোর দায়িত্ব নতুন করে বণ্টন করা হয়নি এখানো। আগের বোর্ডের যারা ছিলেন তারাই সেই দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ মাসেই বিসিবির বোর্ড সভা। জানা গেছে সেখানেই কমিটিগুলোর নয়া প্রধান মনোনীত করবে বিসিবি। যেখানে সবচেয়ে বেশি আলোচানায় আকরামের অপারেন্স বিভাগের পদ নিয়ে। জানা গেছে সেখানে নতুন কাউকেই দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে। যার অন্যতম দাবিদার হিসেবে নাম শোনা যাচ্ছে খালেদ মাহমুদ সুজন ও কাজী ইনাম আহমেদের। আর সেই কারণেই আগে পদ ছাড়ার ঘোষণা দিচ্ছেন আকরাম! যদিও গতকাল নিজ বাসায় সংবাদমাধ্যমকে তিনি পারিবারিক কারণ হিসেবেই এমন সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, পারিবারিক কারণেই। যেহেতু আমি এখানে অনেক বছর ছিলাম। এখানে মানসিক ও শারীরিক শক্তির দরকার হয়। সব মিলিয়েই এই বিরতির সিদ্ধান্ত। উনার সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত, এখন আমি এ নিয়ে কিছুই বলতে চাই না। উনার পরামর্শ অনুসরণ করব আমি।’

তবে আকরাম খান চুড়ান্তভাবে তার সরে যাওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করেননি। তিনি জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে আলোচনার পরই তিনি অনুষ্ঠানিক ভাবে সরে যাওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করবেন। তিনি বলেন, ‘আসলে আমি আজ কথা বলতে চাইনি। আপনারা যেহেতু চলে এসেছেন, কিছু তো বলতেই হবে। আমরা পারিবারিকভাবে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার ব্যাপারে। যেহেতু আমি আট বছর ক্রিকেট অপারেশন্সে ছিলাম, তো এটা নিয়ে আমাদের মাননীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট আমার যে গার্ডিয়ান, গত আট বছরে উনার থেকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য পেয়েছি কাজের জন্য। যতগুলো খারাপ ভালো সময় গেছে, সব সময় উনি আমার সঙ্গেই ছিলেন। তো উনার সঙ্গে আলাপ করে হয়তো কালকের মধ্যে আমার সিদ্ধান্তটা জানিয়ে দিব। উনার কনসার্ন ছাড়া আমি আপনাদের কিছু বলতে পারব না। তিনটার দিকে আজ কল করেছিলাম, রিপ্লাই দেননি। হয়তো যেকোনো সময় কল ব্যাক করবেন। কল করলে উনার সঙ্গে আলাপ করে নেব।’
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কালকের মধ্যে আমার সিদ্ধান্ত: আকরাম

প্রকাশিত : ০৬:৫৩:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১

ক্রিকেট অপারেন্স কমিটির প্রধান হিসেবে আর থাকছেন না আকরাম খান- এমন একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দেন তার স্ত্রী সাবিনা আকরাম। গত দুই দিন ধরে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এমন সময় মুঠোফোন অনেকটা সময় বন্ধও রাখেন আকরাম খান। আর খুললেও সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি। তবে হঠাৎ করেই আজ বিকেলে তিনি নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে জানান পারিবারিক করণে সরে যাচ্ছেন এই পদ থেকে। যদিও গুঞ্জন রয়েছে টাইগারদের টানা ব্যর্থতার কারণে তাকে এই পদ থেকে সরিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

৬ই অক্টোবর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিবিসি) নির্বাচনে নির্বাচিত হয় আগামী চার বছরের জন্য ২৩ জন পরিচালক।

গঠিত হয় নয়া পরিচালনা পর্ষদ। কিন্তু পরিচালকদের বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটিগুলোর দায়িত্ব নতুন করে বণ্টন করা হয়নি এখানো। আগের বোর্ডের যারা ছিলেন তারাই সেই দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ মাসেই বিসিবির বোর্ড সভা। জানা গেছে সেখানেই কমিটিগুলোর নয়া প্রধান মনোনীত করবে বিসিবি। যেখানে সবচেয়ে বেশি আলোচানায় আকরামের অপারেন্স বিভাগের পদ নিয়ে। জানা গেছে সেখানে নতুন কাউকেই দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে। যার অন্যতম দাবিদার হিসেবে নাম শোনা যাচ্ছে খালেদ মাহমুদ সুজন ও কাজী ইনাম আহমেদের। আর সেই কারণেই আগে পদ ছাড়ার ঘোষণা দিচ্ছেন আকরাম! যদিও গতকাল নিজ বাসায় সংবাদমাধ্যমকে তিনি পারিবারিক কারণ হিসেবেই এমন সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, পারিবারিক কারণেই। যেহেতু আমি এখানে অনেক বছর ছিলাম। এখানে মানসিক ও শারীরিক শক্তির দরকার হয়। সব মিলিয়েই এই বিরতির সিদ্ধান্ত। উনার সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত, এখন আমি এ নিয়ে কিছুই বলতে চাই না। উনার পরামর্শ অনুসরণ করব আমি।’

তবে আকরাম খান চুড়ান্তভাবে তার সরে যাওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করেননি। তিনি জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে আলোচনার পরই তিনি অনুষ্ঠানিক ভাবে সরে যাওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করবেন। তিনি বলেন, ‘আসলে আমি আজ কথা বলতে চাইনি। আপনারা যেহেতু চলে এসেছেন, কিছু তো বলতেই হবে। আমরা পারিবারিকভাবে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার ব্যাপারে। যেহেতু আমি আট বছর ক্রিকেট অপারেশন্সে ছিলাম, তো এটা নিয়ে আমাদের মাননীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট আমার যে গার্ডিয়ান, গত আট বছরে উনার থেকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য পেয়েছি কাজের জন্য। যতগুলো খারাপ ভালো সময় গেছে, সব সময় উনি আমার সঙ্গেই ছিলেন। তো উনার সঙ্গে আলাপ করে হয়তো কালকের মধ্যে আমার সিদ্ধান্তটা জানিয়ে দিব। উনার কনসার্ন ছাড়া আমি আপনাদের কিছু বলতে পারব না। তিনটার দিকে আজ কল করেছিলাম, রিপ্লাই দেননি। হয়তো যেকোনো সময় কল ব্যাক করবেন। কল করলে উনার সঙ্গে আলাপ করে নেব।’
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ