০৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

হল চালুর দাবিতে আমরণ অনশন শিক্ষার্থীদের

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি ছাত্রী মেসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১লা জানুয়ারি) ভোর ৫ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ত্রিশাল বাজার রোডে অবস্থিত মেসটির নাম সুফিয়া আজিজ ভিলা।

ত্রিশাল ফায়ার সার্ভিস, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। প্রায় এক ঘন্টারও বেশি চেষ্টার পর আগুণ নিয়ন্ত্রণে আসে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে শিক্ষার্থীদের মোবাইল, ল্যাপটপ, আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক জিনিস।

ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মেস সংলগ্ন বৈদ্যুতিক খুঁটির শর্ট সার্কিট থেকে ভোর ৫টার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আগুনে পুড়ে গেছে ওই মেসের ৬টি কক্ষ। ওই মেসে মোট ৪৪ জন ছাত্রী থাকে।

ঘটনার পরপরই সকাল সাড়ে ৮টায় ক্যাম্পাসের ভিসি বাংলোর সামনে হল খোলা ও অন্যান্য দাবিতে আন্দোলনে নামে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীরা বলেন, নানা সময়ে এই মেসগুলোর নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে কথা বললেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয় নি। চুরি, আগুণ যেন নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনা। আমরা আর হেলাফেলা চাই না, নতুন হল দুটো খুলে দিয়ে আমাদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আন্দোলন থেকে উঠবো না।

এসময় সেখানে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা ও হল প্রভোস্ট। তারা আজকের ঘটনার জন্য সমবেদনা জানিয়ে বলেন, ‘তোমাদের দাবি যৌক্তিক। কিন্তু আমাদের হলগুলোতে বেশ কিছু সংকট আছে। গ্যাস নেই, লোকবল নেই। আমাদের কাজ চলমান। শীঘ্রই চালু করতে পারবো বলে আশাবাদী আমরা।’

এ আশ্বাসের পরও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। হল চালু, আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনে থাকার ঘোষণ দিয়েছে তারা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

হল চালুর দাবিতে আমরণ অনশন শিক্ষার্থীদের

প্রকাশিত : ০৩:৪২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জানুয়ারী ২০২২

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি ছাত্রী মেসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১লা জানুয়ারি) ভোর ৫ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ত্রিশাল বাজার রোডে অবস্থিত মেসটির নাম সুফিয়া আজিজ ভিলা।

ত্রিশাল ফায়ার সার্ভিস, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। প্রায় এক ঘন্টারও বেশি চেষ্টার পর আগুণ নিয়ন্ত্রণে আসে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে শিক্ষার্থীদের মোবাইল, ল্যাপটপ, আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক জিনিস।

ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মেস সংলগ্ন বৈদ্যুতিক খুঁটির শর্ট সার্কিট থেকে ভোর ৫টার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আগুনে পুড়ে গেছে ওই মেসের ৬টি কক্ষ। ওই মেসে মোট ৪৪ জন ছাত্রী থাকে।

ঘটনার পরপরই সকাল সাড়ে ৮টায় ক্যাম্পাসের ভিসি বাংলোর সামনে হল খোলা ও অন্যান্য দাবিতে আন্দোলনে নামে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীরা বলেন, নানা সময়ে এই মেসগুলোর নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে কথা বললেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয় নি। চুরি, আগুণ যেন নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনা। আমরা আর হেলাফেলা চাই না, নতুন হল দুটো খুলে দিয়ে আমাদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আন্দোলন থেকে উঠবো না।

এসময় সেখানে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা ও হল প্রভোস্ট। তারা আজকের ঘটনার জন্য সমবেদনা জানিয়ে বলেন, ‘তোমাদের দাবি যৌক্তিক। কিন্তু আমাদের হলগুলোতে বেশ কিছু সংকট আছে। গ্যাস নেই, লোকবল নেই। আমাদের কাজ চলমান। শীঘ্রই চালু করতে পারবো বলে আশাবাদী আমরা।’

এ আশ্বাসের পরও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। হল চালু, আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনে থাকার ঘোষণ দিয়েছে তারা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর