১১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

ভেনিজুয়েলায় কারাগারে আগুনে নিহত ৬৮

ভেনিজুয়েলার কারাবোবো রাজ্যের ভ্যালেন্সিয়া শহরের এক পুলিশ স্টেশনের কাছে একটি কারাগারে সংঘর্ষ ও আগুন লেগে অন্তত ৬৮জন নিহত হয়েছে। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা এ খবর জানিয়েছেন।

বুধবার জেল থেকে পালানোর জন্য বন্দীরা নিজেদের সঙ্গে থাকা জিনিসে আগুন লাগায়। সে সময় বন্দীদের আত্মীয় স্বজনরা তাদের বের করে নেয়ার জন্য কারাগারে ভিড় জমায়। পুলিশ তাদের প্রতিহত করতে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে।

এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এক পুলিশ কর্মকর্তার পায়ে গুলি লেগেছে। তবে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

কারাবন্দীদের স্বজনরা বলেছেন, ধোয়ায় অনেক বন্দী দমবন্ধ হয়ে মারা গেছে। কিছু নারী ও শিশু তাদের স্বজনদের দেখতে ওই কারাগারে গিয়েছিলেন। তারা আগুনে মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাজ্যটির অ্যাটর্নি জেনারেল তারেক সাব বলেছেন, ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি তদন্তে চার প্রসিকিউটর নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ভেনিজুয়েলার কারাগারগুলো ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি বন্দী রয়েছে এবং তাদের কাছে অস্ত্র ও মাদক থাকে। তাই সেখানে রক্তক্ষয়ী সহিংসতা ও দাঙ্গার ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। সূত্র: বিবিসি

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেনিজুয়েলায় কারাগারে আগুনে নিহত ৬৮

প্রকাশিত : ১১:৪৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ ২০১৮

ভেনিজুয়েলার কারাবোবো রাজ্যের ভ্যালেন্সিয়া শহরের এক পুলিশ স্টেশনের কাছে একটি কারাগারে সংঘর্ষ ও আগুন লেগে অন্তত ৬৮জন নিহত হয়েছে। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা এ খবর জানিয়েছেন।

বুধবার জেল থেকে পালানোর জন্য বন্দীরা নিজেদের সঙ্গে থাকা জিনিসে আগুন লাগায়। সে সময় বন্দীদের আত্মীয় স্বজনরা তাদের বের করে নেয়ার জন্য কারাগারে ভিড় জমায়। পুলিশ তাদের প্রতিহত করতে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে।

এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এক পুলিশ কর্মকর্তার পায়ে গুলি লেগেছে। তবে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

কারাবন্দীদের স্বজনরা বলেছেন, ধোয়ায় অনেক বন্দী দমবন্ধ হয়ে মারা গেছে। কিছু নারী ও শিশু তাদের স্বজনদের দেখতে ওই কারাগারে গিয়েছিলেন। তারা আগুনে মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাজ্যটির অ্যাটর্নি জেনারেল তারেক সাব বলেছেন, ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি তদন্তে চার প্রসিকিউটর নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ভেনিজুয়েলার কারাগারগুলো ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি বন্দী রয়েছে এবং তাদের কাছে অস্ত্র ও মাদক থাকে। তাই সেখানে রক্তক্ষয়ী সহিংসতা ও দাঙ্গার ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। সূত্র: বিবিসি