০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

অবশেষে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় যেতে রাজি শাবির আন্দোলনকারীরা

অবশেষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সাথে আলোচনায় বসতে রাজি হলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের মধ্যস্থতায় তারা এমন সিদ্ধান্তে আসেন। তবে এ আলোচনার জন্য শিক্ষামন্ত্রী সিলেটে যাবেন, নাকি অনলাইনে ভার্চুয়ালি আলোচনার ব্যবস্থা করা হবে—সে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। শিক্ষামন্ত্রী শাবির আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদলকে ঢাকা যাবার আহ্বান জানালেও, শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় ঢাকা না যাবার সিদ্ধান্ত হয়।

জানা যায়, দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের এক প্রতিনিধি দল আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনার প্রস্তাব দেন। কিন্তু তারা কেবল উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের ভিত্তিতেই আলোচনায় বসবেন বলে জানান৷ এ সময় উপাচার্যকে বাইরে আসতে দেয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে শিক্ষার্থীরা বলেন, হয় উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে হবে নয়তো শিক্ষার্থীদের লাশের ওপর দিয়ে যেতে হবে।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অনশনরত এক শিক্ষার্থীর অনশন ভাঙার ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতারা আন্দোলনকারীদের সহযোগিতা চাইলে তারা বলেন, আমরা অসুস্থ অনশনকারীদের অনশন ভাঙার বিষয়ে চেষ্টা করছি। কিন্তু তারা কেউই অনশন ভাঙতে রাজি নয়।

পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলটি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সাথে দেখা করেন। কিছুক্ষণ পর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে মোবাইলফোনের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। এসময় শিক্ষামন্ত্রী আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনার প্রস্তাব দিলে তারা রাজি হন।

সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৭ শিক্ষার্থীর একটি প্রতিনিধিদল আজ শনিবারের মধ্যে ডা. দীপু মনির সাথে আলোচনায় বসবেন বলে জানানো হয়েছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আন্দোলনকারীরা জানান, উপাচার্যের পদত্যাগের ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করতে প্রস্তুত রয়েছেন তারা। তবে আলোচনার সময়েও অনশন কর্মসূচি চালু থাকবে।

এদিকে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনকারীদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতারা।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে এসে তারা আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন শাবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মকাদ্দুস আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ চৌধুরী, ছাত্রলীগ নেতা মলয় সরকার, আবু সায়েম, সৌমিত্র সিংহ দাশ, প্রদীপ চন্দ্র দাশ, আব্দুর রশিদ রাশেদ, জ্যোতিলাল দাস, নবকুমার রায়, বিজিত লাল দাস, সাইফুল আলম রিজভী, সুপ্রাজিৎ চৌধুরী প্রমুখ।

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাসুম বিল্লাহ চৌধুরী অনশনরতদের উদ্দেশ্য বলেন, আমরা আপনাদের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করছি। আপনারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যান। কিন্তু একটাই অনুরোধ, আজ শুক্রবার এবং আগামীকাল শনিবার সরকারি ছুটির এ দুইদিনে অনশন স্থগিত রাখুন। এসময় অনশনকারীরা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, আমরা উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন ও অনশন চালিয়ে যাবো।

ছাত্রলীগ নেতারা উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যত দ্রুত সম্ভব আপনারা সমস্যাটি মিটিয়ে ফেলুন। এসময় তারা প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

গত বুধবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটা থেকে শাবির আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা উপাচার্যে পদত্যাগ দাবিতে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে দেয়া আল্টিমেটাম অনুযায়ী বুধবার দুপুর ১২টার মধ্যে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি জানান। পদত্যাগ না করলে অনশনে বসার ঘোষণাও দেন তারা।

এরও আগে ১৩ জানুয়ারি থেকে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট জাফরিন আহমেদ লিজার পদত্যাগ ও তিন দফা দাবি নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। আবাসিক হলের পানি, সিট, ইন্টারনেট, খাবারসহ বেশ কিছু সমস্যা নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রভোস্টের সঙ্গে আলাপ করতে চাইলেও তিনি অসদাচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

পরে ধারাবাহিক বিক্ষোভ চলাকালে একপর্যায়ে গত রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। উপাচার্যকে মুক্ত করতে পুলিশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং এ ঘটনায় প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হন। পরে এ আন্দোলন উপাচার্যের পদত্যাগের আন্দোলনে রূপ নেয়। দাবি পূরণ না হওয়ায় বুধবার আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে ২৪ জন আমরণ অনশনে বসেন।

আমরণ অনশনের কর্মসূচিতে ১৫ জন ছেলে ও ৯ জন মেয়ে অংশ নেন। তবে ছেলের অনশনের খবর পেয়ে একজনের বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত হন। খবর পেয়ে ওই শিক্ষার্থী অনশন ভেঙে বাবাকে দেখতে গেছেন। এছাড়া এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অনশনকারীদের মধ্যে ১১জন অসুস্থ হওয়ায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলসহ ও দুটি বেসরকারি হাসপাতালে তাদের ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া, উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অনশনরত ১২ শিক্ষার্থীকে ক্যানোলার মাধ্যমে লিকুইড স্যালাইন ও ভিটামিন সাপ্লিমেন্টারি দেওয়া হয়েছে। শ্বাসকষ্ট থাকায় ৪ জনকে নেবুলাইজারও দেওয়া হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

অবশেষে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় যেতে রাজি শাবির আন্দোলনকারীরা

প্রকাশিত : ০৮:১০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২

অবশেষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সাথে আলোচনায় বসতে রাজি হলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের মধ্যস্থতায় তারা এমন সিদ্ধান্তে আসেন। তবে এ আলোচনার জন্য শিক্ষামন্ত্রী সিলেটে যাবেন, নাকি অনলাইনে ভার্চুয়ালি আলোচনার ব্যবস্থা করা হবে—সে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। শিক্ষামন্ত্রী শাবির আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদলকে ঢাকা যাবার আহ্বান জানালেও, শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় ঢাকা না যাবার সিদ্ধান্ত হয়।

জানা যায়, দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের এক প্রতিনিধি দল আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনার প্রস্তাব দেন। কিন্তু তারা কেবল উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের ভিত্তিতেই আলোচনায় বসবেন বলে জানান৷ এ সময় উপাচার্যকে বাইরে আসতে দেয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে শিক্ষার্থীরা বলেন, হয় উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে হবে নয়তো শিক্ষার্থীদের লাশের ওপর দিয়ে যেতে হবে।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অনশনরত এক শিক্ষার্থীর অনশন ভাঙার ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতারা আন্দোলনকারীদের সহযোগিতা চাইলে তারা বলেন, আমরা অসুস্থ অনশনকারীদের অনশন ভাঙার বিষয়ে চেষ্টা করছি। কিন্তু তারা কেউই অনশন ভাঙতে রাজি নয়।

পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলটি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সাথে দেখা করেন। কিছুক্ষণ পর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে মোবাইলফোনের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। এসময় শিক্ষামন্ত্রী আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনার প্রস্তাব দিলে তারা রাজি হন।

সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৭ শিক্ষার্থীর একটি প্রতিনিধিদল আজ শনিবারের মধ্যে ডা. দীপু মনির সাথে আলোচনায় বসবেন বলে জানানো হয়েছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আন্দোলনকারীরা জানান, উপাচার্যের পদত্যাগের ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করতে প্রস্তুত রয়েছেন তারা। তবে আলোচনার সময়েও অনশন কর্মসূচি চালু থাকবে।

এদিকে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনকারীদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতারা।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে এসে তারা আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন শাবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মকাদ্দুস আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ চৌধুরী, ছাত্রলীগ নেতা মলয় সরকার, আবু সায়েম, সৌমিত্র সিংহ দাশ, প্রদীপ চন্দ্র দাশ, আব্দুর রশিদ রাশেদ, জ্যোতিলাল দাস, নবকুমার রায়, বিজিত লাল দাস, সাইফুল আলম রিজভী, সুপ্রাজিৎ চৌধুরী প্রমুখ।

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাসুম বিল্লাহ চৌধুরী অনশনরতদের উদ্দেশ্য বলেন, আমরা আপনাদের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করছি। আপনারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যান। কিন্তু একটাই অনুরোধ, আজ শুক্রবার এবং আগামীকাল শনিবার সরকারি ছুটির এ দুইদিনে অনশন স্থগিত রাখুন। এসময় অনশনকারীরা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, আমরা উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন ও অনশন চালিয়ে যাবো।

ছাত্রলীগ নেতারা উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যত দ্রুত সম্ভব আপনারা সমস্যাটি মিটিয়ে ফেলুন। এসময় তারা প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

গত বুধবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটা থেকে শাবির আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা উপাচার্যে পদত্যাগ দাবিতে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে দেয়া আল্টিমেটাম অনুযায়ী বুধবার দুপুর ১২টার মধ্যে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি জানান। পদত্যাগ না করলে অনশনে বসার ঘোষণাও দেন তারা।

এরও আগে ১৩ জানুয়ারি থেকে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট জাফরিন আহমেদ লিজার পদত্যাগ ও তিন দফা দাবি নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। আবাসিক হলের পানি, সিট, ইন্টারনেট, খাবারসহ বেশ কিছু সমস্যা নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রভোস্টের সঙ্গে আলাপ করতে চাইলেও তিনি অসদাচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

পরে ধারাবাহিক বিক্ষোভ চলাকালে একপর্যায়ে গত রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। উপাচার্যকে মুক্ত করতে পুলিশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং এ ঘটনায় প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হন। পরে এ আন্দোলন উপাচার্যের পদত্যাগের আন্দোলনে রূপ নেয়। দাবি পূরণ না হওয়ায় বুধবার আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে ২৪ জন আমরণ অনশনে বসেন।

আমরণ অনশনের কর্মসূচিতে ১৫ জন ছেলে ও ৯ জন মেয়ে অংশ নেন। তবে ছেলের অনশনের খবর পেয়ে একজনের বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত হন। খবর পেয়ে ওই শিক্ষার্থী অনশন ভেঙে বাবাকে দেখতে গেছেন। এছাড়া এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অনশনকারীদের মধ্যে ১১জন অসুস্থ হওয়ায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলসহ ও দুটি বেসরকারি হাসপাতালে তাদের ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া, উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অনশনরত ১২ শিক্ষার্থীকে ক্যানোলার মাধ্যমে লিকুইড স্যালাইন ও ভিটামিন সাপ্লিমেন্টারি দেওয়া হয়েছে। শ্বাসকষ্ট থাকায় ৪ জনকে নেবুলাইজারও দেওয়া হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ