০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

দৃষ্টি নন্দন ইবির খালেদা জিয়া হল

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি আবাসিক ছাত্রী হলের মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন খালেদা জিয়া হল। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নে যে ভবন গুলো স্থাপন করা হয় তার মধ্যে খালেদা জিয়া হলের দক্ষিন ব্লক একটি। প্রতিষ্ঠার এতোগুলো বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও এই হলটি চিরযৌবনা।

প্রধান ফটকের দুপাশের রয়েল পাম সজাতিয় বৃক্ষ গুলোতেই দৃষ্টি আটকে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী সহ দর্শনার্থীদের। সময়ের পরিক্রমায় বৃক্ষ গুলো যেমন হলের সৌন্দর্যকে কয়েক গুনে বাড়িয়ে দিয়েছে ঠিক তেমনি হলের আবাসিক অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের সাথে রঙ বেরঙের স্মৃতি তৈরি হচ্ছে সুদর্শন এই বৃক্ষ গুলোর সাথে।

এছাড়া শীতকালে বৈচিত্রময় সৌন্দর্যে হলুদ আবরণে নতুন রূপে সেজেছে হলটি। নানা প্রজাতির ফুলের রঙে রঙ্গিন হয়ে উঠেছে হল প্রাঙ্গণ। সকালের কুয়াশা আর সূর্যের হলুদাভায় মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন প্রাতঃভ্রমন কারীরাও।

নানা প্রজাতির এসব ফুলের মধ্যে রয়েছে গাঁদা, ডালিয়া, জিনিয়া, গোলাপ, রঙ্গন, জারবেরা, জবা, বেলি, চন্দ্রমল্লিকা, মোরগঝুটি, জুঁই, চামেলি, টগর, বেলি ছাড়াও নানা প্রজাতির ফুল। বিকাল গড়ালেই ক্যাম্পাসে শিক্ষক, শিক্ষার্থী দর্শনার্থীদের ভিড় জমে হলের সামনের বাগানটিতে। নানা প্রজাতির ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে ফটোসেশনও করেন অনেকে।

হল সূত্রে জানা যায়, বছর চারেক আগেও হলের সামনের চমৎকার এই ফুলের বাগানটি জঙ্গলে আস্তীর্ণ ছিলো। বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা হলেই হলের সামনে ভুতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করতো। বর্তমান হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রেবা মন্ডল দায়িত্ব গ্রহণের পরেই অবকাঠামোগত ও ভিন্নধর্মী নানা কাজ করে হলের আবাসিক ছাত্রীদের মাঝে প্রশংসার সাড়া ফেলেছেন। হলের সামনের জঙ্গল পরিস্কার করে তিনি ফুলের বাগান তৈরি করছেন। দীর্ঘদিন পর হলের অভ্যন্তরীণ ডিবেটিং সোসাইটি ও কালচারাল সোসাইটির নতুন কমিটি ও ৩ বছর অচলাবস্থায় পড়ে থাকা লাইব্রেরীতে পড়ার উপযোগী করেছেন তিনি। বঙ্গবন্ধুকে জানার সুবিধার্তে আবাসিক হলের ছাত্রীদের জন্য বঙ্গবন্ধু লাইব্রেরী তৈরি করছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

দৃষ্টি নন্দন ইবির খালেদা জিয়া হল

প্রকাশিত : ০৪:২৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি আবাসিক ছাত্রী হলের মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন খালেদা জিয়া হল। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নে যে ভবন গুলো স্থাপন করা হয় তার মধ্যে খালেদা জিয়া হলের দক্ষিন ব্লক একটি। প্রতিষ্ঠার এতোগুলো বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও এই হলটি চিরযৌবনা।

প্রধান ফটকের দুপাশের রয়েল পাম সজাতিয় বৃক্ষ গুলোতেই দৃষ্টি আটকে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী সহ দর্শনার্থীদের। সময়ের পরিক্রমায় বৃক্ষ গুলো যেমন হলের সৌন্দর্যকে কয়েক গুনে বাড়িয়ে দিয়েছে ঠিক তেমনি হলের আবাসিক অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের সাথে রঙ বেরঙের স্মৃতি তৈরি হচ্ছে সুদর্শন এই বৃক্ষ গুলোর সাথে।

এছাড়া শীতকালে বৈচিত্রময় সৌন্দর্যে হলুদ আবরণে নতুন রূপে সেজেছে হলটি। নানা প্রজাতির ফুলের রঙে রঙ্গিন হয়ে উঠেছে হল প্রাঙ্গণ। সকালের কুয়াশা আর সূর্যের হলুদাভায় মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন প্রাতঃভ্রমন কারীরাও।

নানা প্রজাতির এসব ফুলের মধ্যে রয়েছে গাঁদা, ডালিয়া, জিনিয়া, গোলাপ, রঙ্গন, জারবেরা, জবা, বেলি, চন্দ্রমল্লিকা, মোরগঝুটি, জুঁই, চামেলি, টগর, বেলি ছাড়াও নানা প্রজাতির ফুল। বিকাল গড়ালেই ক্যাম্পাসে শিক্ষক, শিক্ষার্থী দর্শনার্থীদের ভিড় জমে হলের সামনের বাগানটিতে। নানা প্রজাতির ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে ফটোসেশনও করেন অনেকে।

হল সূত্রে জানা যায়, বছর চারেক আগেও হলের সামনের চমৎকার এই ফুলের বাগানটি জঙ্গলে আস্তীর্ণ ছিলো। বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা হলেই হলের সামনে ভুতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করতো। বর্তমান হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রেবা মন্ডল দায়িত্ব গ্রহণের পরেই অবকাঠামোগত ও ভিন্নধর্মী নানা কাজ করে হলের আবাসিক ছাত্রীদের মাঝে প্রশংসার সাড়া ফেলেছেন। হলের সামনের জঙ্গল পরিস্কার করে তিনি ফুলের বাগান তৈরি করছেন। দীর্ঘদিন পর হলের অভ্যন্তরীণ ডিবেটিং সোসাইটি ও কালচারাল সোসাইটির নতুন কমিটি ও ৩ বছর অচলাবস্থায় পড়ে থাকা লাইব্রেরীতে পড়ার উপযোগী করেছেন তিনি। বঙ্গবন্ধুকে জানার সুবিধার্তে আবাসিক হলের ছাত্রীদের জন্য বঙ্গবন্ধু লাইব্রেরী তৈরি করছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর