১০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শ্বশুরবাড়ি পা রাখতে পেরে খুশি মঈন আলি

মঈন আলির স্ত্রী ফিরোজা হোসেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। সে হিসেবে মঈন আলি বাংলাদেশের জামাই। তার শ্বশুরবাড়ি সিলেট। তবে ক্রিকেটীয় ব্যস্ততার কারণে সেই সিলেটে কখনোই যাওয়া হয়নি মঈনের। এবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ খেলতে এসে সে সুযোগ হয়েছে বটে। তবে জৈব সুরক্ষা বলয়ের কারণে হোটেল আর মাঠেই সীমাবদ্ধ থাকছে তার পরিধি। তবুও সিলেটে পা রাখতে পেরে খুশি মঈন। শিখেছেন কিছু সিলেটি কথা।

আজ (রোববার) সিলেটে নিজ দল কুমিল্লার ভিক্টোরিয়ান্সের অনুশীলনের ফাঁকে সংবাদমাধ্যমকে মঈন বলছিলেন, ‘আমি কিছু সিলেটি শব্দ জানি। আরো কিছু জানতে পারলে খুশি হতাম। আশা করছি নতুন কিছু শব্দ শিখতে পারব। হোটলে যারা আছে তারা আমার সঙ্গে সিলেটি ভাষায় কথা বলে। এজন্য আমাকে চেষ্টা করে শিখতে হবে।’

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মঈন বলেন, ‘বাংলাদেশ আমার বাড়ি, পাকিস্তান আমার বাড়ি। ইংল্যান্ড বাড়ি। জায়গাগুলো আমার কাছে একই। আমার শ্বশুর এখানে আছেন। তাদের প্রতি আর সিলেটের প্রতি আমার শ্রদ্ধা। তারা সব সময় বলে, চলো সিলেটে যাই। কিন্তু কোনোভাবেই পারি না। এখন এখানে আসতে পেরে ভালো লাগছে। আমি খুব খুশি।’

মঈনের স্ত্রী ফিরোজা হোসেনের জন্ম-বেড়ে ওঠা দুটিই ইংল্যান্ডে হলেও তার বাপের বাড়ি সিলেটে। এক সময় সিলেট শহরের পীর মহল্লা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন ফিরোজার বাবা এম হোসেন ও তার স্ত্রী। এরপর সপরিবারে ইংল্যান্ডে থিতু হন। সেখানেই জন্ম ফিরোজার। মঈন বাংলাদেশে আসায় ফিরোজাও দেশে আসার সুযোগ পেয়েছেন।

মঈন বলেন, ‘আমার স্ত্রী এখানে এসেছে। তার বোন, জামাইসহ সবাই ঢাকায়, দুইদিনের মধ্যে সিলেটে আসছে।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সিআইডি প্রধানের জরুরী ব্রিফিং

শ্বশুরবাড়ি পা রাখতে পেরে খুশি মঈন আলি

প্রকাশিত : ০৪:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২

মঈন আলির স্ত্রী ফিরোজা হোসেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। সে হিসেবে মঈন আলি বাংলাদেশের জামাই। তার শ্বশুরবাড়ি সিলেট। তবে ক্রিকেটীয় ব্যস্ততার কারণে সেই সিলেটে কখনোই যাওয়া হয়নি মঈনের। এবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ খেলতে এসে সে সুযোগ হয়েছে বটে। তবে জৈব সুরক্ষা বলয়ের কারণে হোটেল আর মাঠেই সীমাবদ্ধ থাকছে তার পরিধি। তবুও সিলেটে পা রাখতে পেরে খুশি মঈন। শিখেছেন কিছু সিলেটি কথা।

আজ (রোববার) সিলেটে নিজ দল কুমিল্লার ভিক্টোরিয়ান্সের অনুশীলনের ফাঁকে সংবাদমাধ্যমকে মঈন বলছিলেন, ‘আমি কিছু সিলেটি শব্দ জানি। আরো কিছু জানতে পারলে খুশি হতাম। আশা করছি নতুন কিছু শব্দ শিখতে পারব। হোটলে যারা আছে তারা আমার সঙ্গে সিলেটি ভাষায় কথা বলে। এজন্য আমাকে চেষ্টা করে শিখতে হবে।’

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মঈন বলেন, ‘বাংলাদেশ আমার বাড়ি, পাকিস্তান আমার বাড়ি। ইংল্যান্ড বাড়ি। জায়গাগুলো আমার কাছে একই। আমার শ্বশুর এখানে আছেন। তাদের প্রতি আর সিলেটের প্রতি আমার শ্রদ্ধা। তারা সব সময় বলে, চলো সিলেটে যাই। কিন্তু কোনোভাবেই পারি না। এখন এখানে আসতে পেরে ভালো লাগছে। আমি খুব খুশি।’

মঈনের স্ত্রী ফিরোজা হোসেনের জন্ম-বেড়ে ওঠা দুটিই ইংল্যান্ডে হলেও তার বাপের বাড়ি সিলেটে। এক সময় সিলেট শহরের পীর মহল্লা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন ফিরোজার বাবা এম হোসেন ও তার স্ত্রী। এরপর সপরিবারে ইংল্যান্ডে থিতু হন। সেখানেই জন্ম ফিরোজার। মঈন বাংলাদেশে আসায় ফিরোজাও দেশে আসার সুযোগ পেয়েছেন।

মঈন বলেন, ‘আমার স্ত্রী এখানে এসেছে। তার বোন, জামাইসহ সবাই ঢাকায়, দুইদিনের মধ্যে সিলেটে আসছে।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর