১১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

২৬ এপ্রিল বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন নাবিলা

আগামী ২৬ এপ্রিল উপস্থাপিকা ও অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন। নাবিলার জন্ম সৌদি আরবে। বাবার চাকরি সূত্রে তার কৈশোরের আনন্দময় দিনগুলোও কেটেছে জেদ্দা শহরে। সেখানেই নাবিলার সাথে হবু বর জোবাইদুল হকের পরিচয়। জোবাইদুল হকেরও কৈশোর কেটেছে জেদ্দায়।

নাবিলা বলেন, এরই মধ্যে বিয়ের কেনাকাটা শেষের দিকে। সাজসজ্জার আশিভাগই দেশ থেকে কেনা হয়েছে। বাকিটা দেশের বাইরে থেকে। আমাদের দুজনের এবং পরিবারের সদস্যদের পছন্দে কেনাকাটা হচ্ছে। নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

এদিকে নাবিলা বর্তমানে ব্যস্ত রয়েছেন উপস্থাপনা নিয়ে। চলচ্চিত্রে অভিষেকের আগে তিনি উপস্থাপিকা হিসেবেই দর্শকের কাছে বেশ পরিচিতি পান। এবার প্রথমবারের মতো তিনি সুন্দরী প্রতিযোগিতা ‘চ্যানেল আই প্রেজেন্টস লাক্স সুপার স্টার’ উপস্থাপনা করছেন। এ নিয়ে নাবিলা বেশ উচ্ছ্বসিত।

তিনি বলেন, সুন্দরীদের মাঝে নিজেকে আবিষ্কার করতে পেরে ভালো লাগছে। প্রতি বছরই এই প্রতিযোগিতা থেকে আমরা সুন্দরীদের পেয়ে থাকি। এবারো আমরা সেসব সুন্দরীকে পাবো যাদের দিকে তাকিয়ে আছে বাংলাদেশ।

এদিকে সম্প্রতি তিনি ওপার বাংলার সংগীতশিল্পী অনুপম রায়ের গাওয়া ‘বাংলাদেশের মেয়ে’ শিরোনামের একটি গানের মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েছেন। এটি নির্মাণ করেছেন শাহরিয়ার পলক। মিউজিক ভিডিওটি দর্শকের মধ্যেও বেশ সাড়া ফেলেছে। তবে এটি তার প্রথম এবং শেষ মিউজিক ভিডিও বলে জানান তিনি।

নাবিলার ভাষ্য, আমার প্রিয় শিল্পীদের একজন অনুপম। তার ‘প্রাক্তন’ সিনেমার গানটি আমার প্রায়ই শোনা হয়। তার সঙ্গে কাজ করার প্রস্তাব পেয়ে না করতে পারিনি।

নাবিলা অভিনীত প্রথম ছবি ‘আয়নাবাজি’ সব শ্রেণীর দর্শককে হলে ফেরাতে সক্ষম হয়। নতুন চলচ্চিত্রে এখনো কাজ না করা প্রসঙ্গে নাবিলা বলেন, আমি চলচ্চিত্রে আগ্রহী নই এটি ঠিক নয়। সত্যি বলতে ‘আয়নাবাজি’র মতো একটি ভালো ছবির অপেক্ষায় আছি। সেটি হতে পারে দর্শকের কাছে গ্রহযোগ্যতা পাবে এমন যে কোনো চরিত্র। আমি মনে করি একটি ভালো কাজ একজন শিল্পীকে দর্শকের কাছে সব সময় বাঁচিয়ে রাখে। আমার প্রথম চলচ্চিত্র দিয়ে যে সুনাম অর্জন করেছি সেটি নষ্ট করতে চাই না।

তবে চলচ্চিত্রে উপস্থিতি না থাকলেও নাবিলা ছোট পর্দায় রয়েছেন। গেল ভালোবাসা দিবসে তার অভিনীত ‘সংসার’ নাটকটি দর্শকপ্রিয়তা পায়। নাটকটি নির্মাণ করেন মিজানুর রহমান আরিয়ান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

২৬ এপ্রিল বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন নাবিলা

প্রকাশিত : ০৪:৪৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ এপ্রিল ২০১৮

আগামী ২৬ এপ্রিল উপস্থাপিকা ও অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন। নাবিলার জন্ম সৌদি আরবে। বাবার চাকরি সূত্রে তার কৈশোরের আনন্দময় দিনগুলোও কেটেছে জেদ্দা শহরে। সেখানেই নাবিলার সাথে হবু বর জোবাইদুল হকের পরিচয়। জোবাইদুল হকেরও কৈশোর কেটেছে জেদ্দায়।

নাবিলা বলেন, এরই মধ্যে বিয়ের কেনাকাটা শেষের দিকে। সাজসজ্জার আশিভাগই দেশ থেকে কেনা হয়েছে। বাকিটা দেশের বাইরে থেকে। আমাদের দুজনের এবং পরিবারের সদস্যদের পছন্দে কেনাকাটা হচ্ছে। নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

এদিকে নাবিলা বর্তমানে ব্যস্ত রয়েছেন উপস্থাপনা নিয়ে। চলচ্চিত্রে অভিষেকের আগে তিনি উপস্থাপিকা হিসেবেই দর্শকের কাছে বেশ পরিচিতি পান। এবার প্রথমবারের মতো তিনি সুন্দরী প্রতিযোগিতা ‘চ্যানেল আই প্রেজেন্টস লাক্স সুপার স্টার’ উপস্থাপনা করছেন। এ নিয়ে নাবিলা বেশ উচ্ছ্বসিত।

তিনি বলেন, সুন্দরীদের মাঝে নিজেকে আবিষ্কার করতে পেরে ভালো লাগছে। প্রতি বছরই এই প্রতিযোগিতা থেকে আমরা সুন্দরীদের পেয়ে থাকি। এবারো আমরা সেসব সুন্দরীকে পাবো যাদের দিকে তাকিয়ে আছে বাংলাদেশ।

এদিকে সম্প্রতি তিনি ওপার বাংলার সংগীতশিল্পী অনুপম রায়ের গাওয়া ‘বাংলাদেশের মেয়ে’ শিরোনামের একটি গানের মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েছেন। এটি নির্মাণ করেছেন শাহরিয়ার পলক। মিউজিক ভিডিওটি দর্শকের মধ্যেও বেশ সাড়া ফেলেছে। তবে এটি তার প্রথম এবং শেষ মিউজিক ভিডিও বলে জানান তিনি।

নাবিলার ভাষ্য, আমার প্রিয় শিল্পীদের একজন অনুপম। তার ‘প্রাক্তন’ সিনেমার গানটি আমার প্রায়ই শোনা হয়। তার সঙ্গে কাজ করার প্রস্তাব পেয়ে না করতে পারিনি।

নাবিলা অভিনীত প্রথম ছবি ‘আয়নাবাজি’ সব শ্রেণীর দর্শককে হলে ফেরাতে সক্ষম হয়। নতুন চলচ্চিত্রে এখনো কাজ না করা প্রসঙ্গে নাবিলা বলেন, আমি চলচ্চিত্রে আগ্রহী নই এটি ঠিক নয়। সত্যি বলতে ‘আয়নাবাজি’র মতো একটি ভালো ছবির অপেক্ষায় আছি। সেটি হতে পারে দর্শকের কাছে গ্রহযোগ্যতা পাবে এমন যে কোনো চরিত্র। আমি মনে করি একটি ভালো কাজ একজন শিল্পীকে দর্শকের কাছে সব সময় বাঁচিয়ে রাখে। আমার প্রথম চলচ্চিত্র দিয়ে যে সুনাম অর্জন করেছি সেটি নষ্ট করতে চাই না।

তবে চলচ্চিত্রে উপস্থিতি না থাকলেও নাবিলা ছোট পর্দায় রয়েছেন। গেল ভালোবাসা দিবসে তার অভিনীত ‘সংসার’ নাটকটি দর্শকপ্রিয়তা পায়। নাটকটি নির্মাণ করেন মিজানুর রহমান আরিয়ান।