দেশীয় বিনোদনের সেরা মাধ্যম হচ্ছে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান। টেলিভিশন শিল্পীদের সংগঠন ‘অভিনয় শিল্পী সংঘ’। সেই শিল্পী সংঘের দ্বি—বার্ষিক নির্বাচন সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ১১ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় শিল্পকলার চিত্রশালা মিলনায়তনে শিল্পী সংঘ এক শপথ অনুষ্ঠান ও টিভি মিডিয়া অঙ্গনের ৪ জন বিশিষ্ট শিল্পীকে এবার ২১ শে পদক—এর জন্য মনোনয়ন প্রাপ্তীতে তাদের সংবধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। প্রথমে শিল্পী সংঘের নির্বাচিত কমিটিকে শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার খায়রুল আলসম সবুজ। শপথ অনুষ্ঠানের পরে সাবেক সহ—সভাপতি আজাদ আবুর কালাম সবাইকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জনান। অভিনয় সংঘের নির্বাচনে যারা যুক্ত ছিলেন তাদেরকে মঞ্চে তুলে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করেন বন্যা মির্জা।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিলো ২১ শে পদক প্রাপ্তদের জন্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। অভিনেতা সাজু খাদেম এর উপস্থাপনায় অতিথি শিল্পী ও পদক প্রাপ্ত শিল্পীদের মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন সিনিয়র অভিনেতা আসাদুজ্জামান নুর ও জাহিদ হাসান। আসাদুজ্জামান নুর বলেন— শিল্পী সংঘের কাজকে যদি এগিয়ে নিয়ে যেতে না পারি তবে এই আনন্দ মিলন মেলা, শপথ অনুষ্ঠান করে লাভ নেই। আমাদের সময় অভিনয়কে পেশা হিসেবে নেওয়ার সুযোগ ছিলো না। বর্তমানে অভিনয়কে পেশা হিসেবে নেওয়ার সুযোগ হয়েছে। এ পর্যায়ে কে কে ২১ শে পদক পেয়েছেন তা বলা যায় না। যদি দর্শকরা মনে রাখে তবেই সার্থক। এবার যারা ২১ শে পদক পেয়েছেন তাদের ধন্যবাদ। নব নির্বাচিত কমিটিকেও অভিনন্দন। সংবর্ধনা প্রাপ্তরা হলেন— অভিনেতা আফজাল, অভিনেতা মাসুম আজিজ, খালেদ খান (মরোত্তর) ও অভিনেত্রী ও নৃত্য শিল্পী জিনাত বরকত উল্লাহ। অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা প্রাপ্তদের হাতে স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন—আফজালকে অভিনেতা নাদের চৌধুরী, মাসুম আজিজকে মনোজ সেনগুপ্ত, জিনাত বরকত উল্লাহর মেয়ের হাতে ক্রেষ্ট তুলে দেন অভিনেতা চঞ্চল। উল্লেখ্য যে, অভিনেতা খালেদ খান ২০১৩ সালে পরলোকে চলে যান এবং জিন্নাত বরকত উল্লাহ অসুস্থ থাকায় তার মেয়ে বিজরী বরকত উল্লাহ সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন। বিজলী বলেন, আমার মাকে যেন সারা জীবন মা বলে ডাকতে পারি।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

























