ভবিষ্যতে আর সময় চাওয়া হবে না- এমন মুচলেকা দেয়ার পর বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতিকে (বিজিএমইএ) আরো এক বছর সময় দিয়েছে আদালত।
সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ রাজধানীর হাতিরঝিলের বহুতল ভবনটি ভাঙতে আদেশ দেন।
সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, বিজিএমইএ ১৬ তলা ওই ভবন ভেঙে ফেলতে ২০১৯ সালের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সময় পাচ্ছে।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারকের আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দিল। প্রধান বিচারপতি বলেন, এবার যেন বাস্তবায়ন হয়, ১২ মাস ১০ দিন সময় পাচ্ছেন এটা মনে রাখবেন।
আদালতের নির্দেশে বিজিএমইএ’র পক্ষে সংশোধিত মুচলেকা জমা দেন সিনিয়র আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম। এছাড়াও এ মামলার অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।
এর আগে বিজিএমইএ ২৮ মার্চ আদালতে মুচলেকা জমা দেন। এতে কয়েকটি বিষয় বিশেষ করে পরবর্তীতে আর সময় না চাওয়ার শর্ত স্পষ্ট না থাকায় মুচলেকাটি সংশোধন করে পুনরায় জমার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ওইদিন আজ সোমবার আদেশের দিন নির্ধারণ করে আদালত।
এর আগে ২৭ মার্চ বিজিএমইএ’র আবেদনের ওপর শুনানি শেষ করে আপিল বিভাগ। শুনানিতে আদালত বিজিএমইএ’র ভবন ভাঙতে বারবার সময় না চাওয়ার শর্তে একটি মুচলেকা জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে ২৮ মার্চ মুচলেকা জমা বিজিএমইএ। কিন্তু তা সংশোধন করে পুনরায় সোমবার মুচলেকা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল আপিল বিভাগ।

























