১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

টিভি মিডিয়ার নির্মাতা মনির হোসেন জীবন’র সাফল্য

বিনোদনের সেরা মাধ্যম হচ্ছে টেলিভিশন মিডিয়া। মিডিয়ার একজন জনপ্রিয় নির্মাতা ‘মনির হোসেন জীবন’। টেলিভিশন মিডিয়ায় তার দীর্ঘ ৩০ বছরের পথ চলা। এই নির্মাতার জন্মদিন গত ১৫ ফেব্রুয়ারী রামপুরা তার নিজ অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। তার শুভ জন্মদিন সন্ধ্যায় অনুষ্ঠানে অতিথি প্রযোজক, পরিচালক, সাংবাদিক, অভিনেতা, অভিনেত্রী ও কলাকুশলীরা উপস্থিতি ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট প্রযোজক মনোয়ার পাঠান, পরিচালক প্রযোজক কামাল খান, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার সিইও মোঃ আলিমুল্লাহ খোকন, ডিরেক্টর গিল্ডএর সাধারণ সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান সাগর, প্রযোজক ফজলুল হক, চিত্রনায়িকা নিঝুম রুবিনা, সঙ্গীত শিল্পী নক্শি তাবাসসুম, অভিনেতা সাংবাদিক নিথর মাহবুব, মাজহার সুমন, আসলাম ইকবাল, অভিনেত্রী মিষ্টি মারিয়া, অভিনেতা তানভির সামদানি, স্নিগ্ধা আকলিমা আখি, সুমাইয়া সিমরান ও মাহমুদা আক্তার মুক্তি উপস্থিত থেকে শুভেচ্ছা জানান।
মনির হোসেন জীবন ১৯৬৮ ইং সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী নরসিংদী জেলার মনোহরদী থানাধীন কুতুবদী (বড় বাড়ী) গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ডা. এম এ আজিজ অব. পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানের সার্ভিসেস দল পুলিশের হয়ে ফুটবল খেলতেন। বাবার হাত ধরেই জীবন আশির দশকে নরসিংদীতে সার্বিসেস দলে বাংলাদেশ আনসার দলের মাঠ মাতানো খেলোয়ার ছিলেন। পাশা—পাশি বিনোদন চর্চা করতেন উদিচী শিল্পী গোষ্ঠীর মাধ্যমে। পরবর্তীতে ঢাকাতে বাংলাদেশ থিয়েটারের মাধ্যমে মঞ্চ নাটকে জড়িত হন। ‘স্বাধীন থিয়েটার’নামে এই নির্মাতার একটা মঞ্চ নাটকের দল রয়েছে্ তার নির্দেশনায় মঞ্চে বেশ কিছু নাটক প্রদর্শিত হয়েছে এবং হচ্ছে। ১৯৯০ সাল থেকে তার চাচা চলচ্চিত্র পরিচালক বদিউল আলম খোকনের হাত ধরে চলচ্চিত্রের সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন। হুমায়ুন আহমেদের সহকারী হিসাবে আগুনের পরশমনি ছবিতে ও অন্যান্য পরিচালক সহ ১০/১২টি চলচ্চিত্রে সহকারী হিসেবে কাজ করেন। পরবতৃীতে ১৯৯৪ সালে প্যাকেজ ফোরাম আন্দোলনের সাথে জড়িত হন।
বিটিভির প্রথম প্যাকেজ ধারাবাহিক নাকট মামুনুর রশীদের ‘শিল্পী’ এবং হুমায়ুন আহমেদের ‘নক্ষত্রের রাত’ নাটকের প্রধান সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন জীবন। তার কাজের এবং মেধার দক্ষতা দেখে মরহুম হুমায়ুন আহমেদ তাকে ‘নহাশ’ চলচ্চিত্রের প্রধান সহকারী পরিচালক হিসেবে স্থায়ী ভাবে নিয়োগ দেন। ২০০০ সাল থেকে জীবন তার নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘স্বাধীন চলচ্চিত্র’ গঠন করেন। তার প্রযোজনা থেকে অসংখ্য নাটক নির্মান করেন। এর মধ্যে সাদা কাগজ, বন্যার চোখে জল, অপ্রত্যাশিত প্রত্যাশা, অতঃপর নিঃস্বঙ্গতা, গানম্যান, বিবাহ সংকট, কোরবান আলীর কোরবানীসহ প্রায় শতাধিক নাটক র্নিমান করছেন। আলোচিত টেলিফ্লিমের মাধ্যে ঃ কালা গলার মালা, ঢুলি বাড়ী, হতাই, ফজর আলী, অজ্ঞান পার্টি, তুচ্ছ, কথা আছে, বংশ প্রদীপ, অহম, বাঙ্গালির বিয়ে, নিজের সংগে দেখা, তুমি এলে তাই, ফোর স্টুপিডসহ প্রচুর টেলিফ্লিম নির্মান করেন মনির হোসেন জীবন। অনেক ডকুমেন্টরী নির্মান করেছেন। তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে অনেক সম্মানাও পেয়েছেন তিনি। ছবিঃ মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সেলিম প্রধানের মুক্তির দাবিতে এবার নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন

টিভি মিডিয়ার নির্মাতা মনির হোসেন জীবন’র সাফল্য

প্রকাশিত : ০৯:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২

বিনোদনের সেরা মাধ্যম হচ্ছে টেলিভিশন মিডিয়া। মিডিয়ার একজন জনপ্রিয় নির্মাতা ‘মনির হোসেন জীবন’। টেলিভিশন মিডিয়ায় তার দীর্ঘ ৩০ বছরের পথ চলা। এই নির্মাতার জন্মদিন গত ১৫ ফেব্রুয়ারী রামপুরা তার নিজ অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। তার শুভ জন্মদিন সন্ধ্যায় অনুষ্ঠানে অতিথি প্রযোজক, পরিচালক, সাংবাদিক, অভিনেতা, অভিনেত্রী ও কলাকুশলীরা উপস্থিতি ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট প্রযোজক মনোয়ার পাঠান, পরিচালক প্রযোজক কামাল খান, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার সিইও মোঃ আলিমুল্লাহ খোকন, ডিরেক্টর গিল্ডএর সাধারণ সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান সাগর, প্রযোজক ফজলুল হক, চিত্রনায়িকা নিঝুম রুবিনা, সঙ্গীত শিল্পী নক্শি তাবাসসুম, অভিনেতা সাংবাদিক নিথর মাহবুব, মাজহার সুমন, আসলাম ইকবাল, অভিনেত্রী মিষ্টি মারিয়া, অভিনেতা তানভির সামদানি, স্নিগ্ধা আকলিমা আখি, সুমাইয়া সিমরান ও মাহমুদা আক্তার মুক্তি উপস্থিত থেকে শুভেচ্ছা জানান।
মনির হোসেন জীবন ১৯৬৮ ইং সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী নরসিংদী জেলার মনোহরদী থানাধীন কুতুবদী (বড় বাড়ী) গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ডা. এম এ আজিজ অব. পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানের সার্ভিসেস দল পুলিশের হয়ে ফুটবল খেলতেন। বাবার হাত ধরেই জীবন আশির দশকে নরসিংদীতে সার্বিসেস দলে বাংলাদেশ আনসার দলের মাঠ মাতানো খেলোয়ার ছিলেন। পাশা—পাশি বিনোদন চর্চা করতেন উদিচী শিল্পী গোষ্ঠীর মাধ্যমে। পরবর্তীতে ঢাকাতে বাংলাদেশ থিয়েটারের মাধ্যমে মঞ্চ নাটকে জড়িত হন। ‘স্বাধীন থিয়েটার’নামে এই নির্মাতার একটা মঞ্চ নাটকের দল রয়েছে্ তার নির্দেশনায় মঞ্চে বেশ কিছু নাটক প্রদর্শিত হয়েছে এবং হচ্ছে। ১৯৯০ সাল থেকে তার চাচা চলচ্চিত্র পরিচালক বদিউল আলম খোকনের হাত ধরে চলচ্চিত্রের সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন। হুমায়ুন আহমেদের সহকারী হিসাবে আগুনের পরশমনি ছবিতে ও অন্যান্য পরিচালক সহ ১০/১২টি চলচ্চিত্রে সহকারী হিসেবে কাজ করেন। পরবতৃীতে ১৯৯৪ সালে প্যাকেজ ফোরাম আন্দোলনের সাথে জড়িত হন।
বিটিভির প্রথম প্যাকেজ ধারাবাহিক নাকট মামুনুর রশীদের ‘শিল্পী’ এবং হুমায়ুন আহমেদের ‘নক্ষত্রের রাত’ নাটকের প্রধান সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন জীবন। তার কাজের এবং মেধার দক্ষতা দেখে মরহুম হুমায়ুন আহমেদ তাকে ‘নহাশ’ চলচ্চিত্রের প্রধান সহকারী পরিচালক হিসেবে স্থায়ী ভাবে নিয়োগ দেন। ২০০০ সাল থেকে জীবন তার নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘স্বাধীন চলচ্চিত্র’ গঠন করেন। তার প্রযোজনা থেকে অসংখ্য নাটক নির্মান করেন। এর মধ্যে সাদা কাগজ, বন্যার চোখে জল, অপ্রত্যাশিত প্রত্যাশা, অতঃপর নিঃস্বঙ্গতা, গানম্যান, বিবাহ সংকট, কোরবান আলীর কোরবানীসহ প্রায় শতাধিক নাটক র্নিমান করছেন। আলোচিত টেলিফ্লিমের মাধ্যে ঃ কালা গলার মালা, ঢুলি বাড়ী, হতাই, ফজর আলী, অজ্ঞান পার্টি, তুচ্ছ, কথা আছে, বংশ প্রদীপ, অহম, বাঙ্গালির বিয়ে, নিজের সংগে দেখা, তুমি এলে তাই, ফোর স্টুপিডসহ প্রচুর টেলিফ্লিম নির্মান করেন মনির হোসেন জীবন। অনেক ডকুমেন্টরী নির্মান করেছেন। তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে অনেক সম্মানাও পেয়েছেন তিনি। ছবিঃ মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ