১০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

ব্যাংকক হাসপাতালে কেমন আছেন নাট্যজন মামুনুর রশীদ?

একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন মামুনুর রশীদ থাইল্যান্ডের ব্যাংকক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। গুরুতর পেট ব্যথা নিয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি ওই হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।

এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি লিভার সার্জন ডা. সমসিতের অধীনে সফলভাবে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।
মামুনুর রশীদের সঙ্গে হাসপাতালে অবস্থান করা ছেলে পল্লব এবং ভাই ডা. কামরুল হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তারা জানান, কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই সফলভাবে তার লিভারে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। তিনি এখন প্রায় সুস্থ। ২-৩ দিনের মধ্যেই তিনি হাসপাতাল ত্যাগ করবেন।

মামুনুর রশীদ স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের মঞ্চ আন্দোলনের পথিকৃৎ। তিনি টেলিভিশনের জন্যেও অসংখ্য নাটক লিখেছেন এবং অভিনয় করেছেন। তার লেখা উল্লেখযোগ্য মঞ্চ নাটকের মধ্যে রয়েছে- ইবলিশ, মানুষ, লেবেদেফ, গিনিপিগ, ওরা কদম আলী, সংক্রান্তি, কহে ফেসবুক, জয় জয়ন্তী ইত্যাদি।

১৯৭১ সালে মামুনুর রশীদ মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৭২ সালে কলকাতা থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে তিনি তৈরি করেন তার আরণ্যক নাট্যদল। দলটি নিয়ে এখনও কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

নাট্যকলায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০১২ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন এই কিংবদন্তি। নাটকের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন মামুনুর রশীদ। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সেলিম প্রধানের মুক্তির দাবিতে এবার নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন

ব্যাংকক হাসপাতালে কেমন আছেন নাট্যজন মামুনুর রশীদ?

প্রকাশিত : ০৬:৩০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন মামুনুর রশীদ থাইল্যান্ডের ব্যাংকক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। গুরুতর পেট ব্যথা নিয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি ওই হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।

এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি লিভার সার্জন ডা. সমসিতের অধীনে সফলভাবে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।
মামুনুর রশীদের সঙ্গে হাসপাতালে অবস্থান করা ছেলে পল্লব এবং ভাই ডা. কামরুল হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তারা জানান, কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই সফলভাবে তার লিভারে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। তিনি এখন প্রায় সুস্থ। ২-৩ দিনের মধ্যেই তিনি হাসপাতাল ত্যাগ করবেন।

মামুনুর রশীদ স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের মঞ্চ আন্দোলনের পথিকৃৎ। তিনি টেলিভিশনের জন্যেও অসংখ্য নাটক লিখেছেন এবং অভিনয় করেছেন। তার লেখা উল্লেখযোগ্য মঞ্চ নাটকের মধ্যে রয়েছে- ইবলিশ, মানুষ, লেবেদেফ, গিনিপিগ, ওরা কদম আলী, সংক্রান্তি, কহে ফেসবুক, জয় জয়ন্তী ইত্যাদি।

১৯৭১ সালে মামুনুর রশীদ মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৭২ সালে কলকাতা থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে তিনি তৈরি করেন তার আরণ্যক নাট্যদল। দলটি নিয়ে এখনও কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

নাট্যকলায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০১২ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন এই কিংবদন্তি। নাটকের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন মামুনুর রশীদ। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ