০৭:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

আফগানিস্তানে মসজিদে বিমান হামলা: নিহত ৭০

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় কুন্দুজ প্রদেশে একটি ধর্মীয় জমায়েতে দেশটির সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার হামলায় ৭০ জন নিহত হয়েছে। এসময় আরো ৩০ জন আহত হয়। সোমবার এই হামলার ঘটনা ঘটে। ওই অঞ্চলের এক স্থানীয় কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন।

প্রদেশটির দাস্ত-ই-আরচির ডিস্ট্রিক্ট গর্ভনর নাসরুদ্দিন সাদি বলেছেন, ধর্মীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষে দুপুরের দিকে একটি মসজিদ ও তার আশপাশে জমায়েত হওয়া প্রায় এক হাজার মানুষের ওপর হেলিকপ্টার থেকে হামলা করা হয়।

এক প্রত্যক্ষদর্শী টেলিফোনে জানান, ওই মসজিদে একটি মাদ্রাসাও ছিল এবং ওই জমায়েতে তালেবান সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

সাদি বলেন, জমায়েতটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান বিষয়ক হলেও সেখানে সশস্ত্র জঙ্গিদের উপস্থিতির কারণে নিরাপত্তা বাহিনী হামলার সিদ্ধান্ত নেয়।

আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগে. জেনারেল মোহাম্মদ রাদমনিশ বলেন, ধর্মীয় উদ্দেশে ওই জমায়েত করা হয়নি। তালেবান ও অন্য জঙ্গি সংগঠনগুলো আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে একটি অভিযানের প্রস্তুতি নিতে ওই মাদ্রাসাটিতে জড়ো হয়েছিল। তবে তাদের পরিকল্পনা আমাদের বাহিনী জেনে ফেলে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের হেলিকপ্টার হামলায় এক তালেবান কমান্ডারসহ ২১ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এটি কোনো আবাসিক এলাকা নয়, সেখানে শুধু সন্ত্রাসী ও তালেবান বিদ্রোহীরা সক্রিয়। হামলার সময় সেখানে কোনো বেসামরিক নাগরিক ছিল না।

তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হতাহতদের মধ্যে শিশু ও বেসামরিক নাগরিক রয়েছে।

তালেবানের এক মুখপাত্র জানিয়েছে, হামলায় তাদের কোনো যোদ্ধা হতাহত হয়নি। তবে হামলায় ১৫০ জন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছে বলে ওই মুখপাত্র দাবি করেছে।

দাস্ত-ই-আরচি ডিস্ট্রিক্ট তালেবান বিদ্রোহীদের একটি শক্ত ঘাঁটি এবং সেখানে প্রায়ই তাদের সঙ্গে আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষের কথা জানা যায়। সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস ও বিবিসি

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

আফগানিস্তানে মসজিদে বিমান হামলা: নিহত ৭০

প্রকাশিত : ১২:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল ২০১৮

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় কুন্দুজ প্রদেশে একটি ধর্মীয় জমায়েতে দেশটির সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার হামলায় ৭০ জন নিহত হয়েছে। এসময় আরো ৩০ জন আহত হয়। সোমবার এই হামলার ঘটনা ঘটে। ওই অঞ্চলের এক স্থানীয় কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন।

প্রদেশটির দাস্ত-ই-আরচির ডিস্ট্রিক্ট গর্ভনর নাসরুদ্দিন সাদি বলেছেন, ধর্মীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষে দুপুরের দিকে একটি মসজিদ ও তার আশপাশে জমায়েত হওয়া প্রায় এক হাজার মানুষের ওপর হেলিকপ্টার থেকে হামলা করা হয়।

এক প্রত্যক্ষদর্শী টেলিফোনে জানান, ওই মসজিদে একটি মাদ্রাসাও ছিল এবং ওই জমায়েতে তালেবান সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

সাদি বলেন, জমায়েতটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান বিষয়ক হলেও সেখানে সশস্ত্র জঙ্গিদের উপস্থিতির কারণে নিরাপত্তা বাহিনী হামলার সিদ্ধান্ত নেয়।

আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগে. জেনারেল মোহাম্মদ রাদমনিশ বলেন, ধর্মীয় উদ্দেশে ওই জমায়েত করা হয়নি। তালেবান ও অন্য জঙ্গি সংগঠনগুলো আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে একটি অভিযানের প্রস্তুতি নিতে ওই মাদ্রাসাটিতে জড়ো হয়েছিল। তবে তাদের পরিকল্পনা আমাদের বাহিনী জেনে ফেলে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের হেলিকপ্টার হামলায় এক তালেবান কমান্ডারসহ ২১ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এটি কোনো আবাসিক এলাকা নয়, সেখানে শুধু সন্ত্রাসী ও তালেবান বিদ্রোহীরা সক্রিয়। হামলার সময় সেখানে কোনো বেসামরিক নাগরিক ছিল না।

তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হতাহতদের মধ্যে শিশু ও বেসামরিক নাগরিক রয়েছে।

তালেবানের এক মুখপাত্র জানিয়েছে, হামলায় তাদের কোনো যোদ্ধা হতাহত হয়নি। তবে হামলায় ১৫০ জন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছে বলে ওই মুখপাত্র দাবি করেছে।

দাস্ত-ই-আরচি ডিস্ট্রিক্ট তালেবান বিদ্রোহীদের একটি শক্ত ঘাঁটি এবং সেখানে প্রায়ই তাদের সঙ্গে আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষের কথা জানা যায়। সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস ও বিবিসি