১০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

হোসেনি দালানে বোমা হামলা: ২ জনের কারাদণ্ড, ৬ জন খালাস

পুরান ঢাকার হোসেনি দালানে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) বোমা হামলা মামলায় কবীর হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আসিফকে সাত বছরের এবং আরমান ওরফে মনিরকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলায় খালাস পেয়েছেন ছয়জন। তারা হলেন- আবু সাঈদ ওরফে সালমান, রুবেল ইসলাম ওরফে সুমন ওরফে সজীব, চান মিয়া, ওমর ফারুক, হাফেজ আহসান উল্লাহ মাহমুদ ও শাহজালাল।

মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় আট আসামির উপস্থিতিতে রায় পড়া শুরু করেন ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান। ভোরের আকাশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. গোলাম ছারোয়ার খান জাকির।

রায় শুনতে ও পর্যবেক্ষণ করতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সেন্টার ফর স্টেট কোর্টের ছয় সদস্য আসেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের পেশকার রুহুল আমিন।

রায় উপলক্ষে আদালত ভবনের প্রবেশ পথ ও বারান্দায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সকাল ১০টার দিকে সিএমএম আদালতের গারদখানায় আনা হয় কারাবন্দি তিন আসামিকে। অপর পাঁচ আসামি জামিনে ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টায় আট আসামির উপস্থিতিতে রায় দেওয়া শুরু করেন বিচারক।

গত ১ মার্চ আলোচিত এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

২০১৫ সালের ২৩ অক্টোবর রাতে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে হোসেনি দালান এলাকায় তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতিকালে বোমা হামলা চালায় জেএমবি। এ ঘটনায় এসআই জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে রাজধানীর চকবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটি তদন্ত করে চকবাজার থানা পুলিশ। পরে এর তদন্তভার ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়।

তদন্ত শেষে ডিবি দক্ষিণের পুলিশ পরিদর্শক মো. শফিউদ্দিন শেখ ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে ১০ জঙ্গিকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর মামলাটি ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী ৮ আসামির নাম- কবীর হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আসিফ, আবু সাঈদ ওরফে সালমান, আরমান ওরফে মনির, রুবেল ইসলাম ওরফে সুমন ওরফে সজীব, চান মিয়া, ওমর ফারুক, হাফেজ আহসান উল্লাহ মাহমুদ ও শাহজালাল। এদের মধ্যে আরমান, কবির হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এই ৮ জনের বিরুদ্ধে ১৫ মার্চ রায় দিয়েছেন আদালত।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

হোসেনি দালানে বোমা হামলা: ২ জনের কারাদণ্ড, ৬ জন খালাস

প্রকাশিত : ১২:৩০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ ২০২২

পুরান ঢাকার হোসেনি দালানে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) বোমা হামলা মামলায় কবীর হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আসিফকে সাত বছরের এবং আরমান ওরফে মনিরকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলায় খালাস পেয়েছেন ছয়জন। তারা হলেন- আবু সাঈদ ওরফে সালমান, রুবেল ইসলাম ওরফে সুমন ওরফে সজীব, চান মিয়া, ওমর ফারুক, হাফেজ আহসান উল্লাহ মাহমুদ ও শাহজালাল।

মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় আট আসামির উপস্থিতিতে রায় পড়া শুরু করেন ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান। ভোরের আকাশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. গোলাম ছারোয়ার খান জাকির।

রায় শুনতে ও পর্যবেক্ষণ করতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সেন্টার ফর স্টেট কোর্টের ছয় সদস্য আসেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের পেশকার রুহুল আমিন।

রায় উপলক্ষে আদালত ভবনের প্রবেশ পথ ও বারান্দায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সকাল ১০টার দিকে সিএমএম আদালতের গারদখানায় আনা হয় কারাবন্দি তিন আসামিকে। অপর পাঁচ আসামি জামিনে ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টায় আট আসামির উপস্থিতিতে রায় দেওয়া শুরু করেন বিচারক।

গত ১ মার্চ আলোচিত এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

২০১৫ সালের ২৩ অক্টোবর রাতে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে হোসেনি দালান এলাকায় তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতিকালে বোমা হামলা চালায় জেএমবি। এ ঘটনায় এসআই জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে রাজধানীর চকবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটি তদন্ত করে চকবাজার থানা পুলিশ। পরে এর তদন্তভার ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়।

তদন্ত শেষে ডিবি দক্ষিণের পুলিশ পরিদর্শক মো. শফিউদ্দিন শেখ ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে ১০ জঙ্গিকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর মামলাটি ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী ৮ আসামির নাম- কবীর হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আসিফ, আবু সাঈদ ওরফে সালমান, আরমান ওরফে মনির, রুবেল ইসলাম ওরফে সুমন ওরফে সজীব, চান মিয়া, ওমর ফারুক, হাফেজ আহসান উল্লাহ মাহমুদ ও শাহজালাল। এদের মধ্যে আরমান, কবির হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এই ৮ জনের বিরুদ্ধে ১৫ মার্চ রায় দিয়েছেন আদালত।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ