বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে থাকায় দীর্ঘদিন পরে ব্যবসা বানিজ্য সরগরম হয়ে ওঠে।এই অবস্থায় পবিত্র মাহে রমজান এবং ঈদুল ফিতরকে লক্ষ্য করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কতিপয় সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী, অজ্ঞানপার্টি, মলমপার্টি ও কিশোর গ্যাং এর উৎপাত বেড়ে চলছে।
সাম্প্রতিককালে ছিনতাইকারী, অজ্ঞানপার্টি এবং মলমপার্টির চক্রের তৎপরতা বৃদ্ধির বিষয়টি ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় যেমনঃ প্রথম আলোর শিরোনামে প্রকাশিত হয়- ছিনতাইকারী চেনা, ছিনতাই চলছেই, মানবজমিনে- ঈদকে ঘিরে রাজধানীতে সরব ছিনতাইকারী চক্র, যুগান্তরে- রাজধানীতে বেপরোয়া ছিনতাইকারী চক্র, আমাদের সময়ে- ঈদ কেন্দ্রিক ছিনতাই থামান, এছাড়াও বাংলাদেশ প্রতিদিন, জনকন্ঠ এবং কালের কন্ঠসহ একাধিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। ফলশ্রুতিতে র্যাব উক্ত চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করতে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত রাতে র্যাব-৩ এর কয়েকটি আভিযানিক দল একযোগে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ছিনতাইকারী, অজ্ঞানপার্টি, মলমপার্টি এবং কিশোর গ্যাং চক্রের সদস্য মোঃ লাল মিয়া (৩০)মোঃ মনির হোসেন (৩৫)মোঃ শাহীন হোসেন (২২)মোঃ রানা হোসেন মোল্লা (২৮)মোঃ রিফাত (২২)মোঃ আমিনুল ইসলাম (২৬)মোঃ রাব্বি (২১)মোঃ কামাল হোসেন (৪০)মোঃ রিপন (৩০)মোঃ রনি (২২)মোঃ ইমরান (২০)মোঃ লিটন (৪০)মোঃ রুবেল (২০)মোঃ শফিক (২১)মোঃ মাসুদ মিয়া (১৮)জুয়েল (২১)মোঃ খালিদ হাসান নাঈম (২০)শফিকুল ইসলাম সুজন(১৯)আসাদুজ্জামান আসাদ সহ মোট ৮২ জন বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত দের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
অভিযানসমূহে মুগদা এলাকার মলমপার্টি চক্রের মূলহোতা মোঃ লাল মিয়াসহ তার ৫ জন সহযোগীকে, ডেমরা এলাকার অজ্ঞানপার্টি চক্রের মূলহোতা মোঃ সোহেলসহ তার ৪ জন সহযোগীকে, ডেমরা এলাকার কিশোর গ্যাং চক্রের মূলহোতা মোঃ হিমন হকসহ তার ২ জন সহযোগীকে, হাতিরঝিল এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মোঃ খালিদ হাসানসহ তার ৩ জন সহযোগীকে, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা ইউনুছ @ নূর নবীসহ তার ৬ জন সহযোগীকে, যাত্রাবাড়ী এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মোঃ শামসুল হকসহ তার ১৩ জন সহযোগীকে, ওয়ারী এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মোঃ সাগরসহ তার ৯ জন সহযোগীকে, খিলগাঁও এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মোঃ খোকনসহ তার ৩ জন সহযোগীকে, সবুজবাগ এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মোঃ দ্বীন ইসলামসহ তার ২ জন সহযোগীকে, পল্টন এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মোঃ রাসেলসহ তার ৯ জন সহযোগীকে, মতিঝিল এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা অমৃত চন্দ্র বর্মনসহ তার ৫ জন সহযোগীকে, শাহবাগ এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মোঃ দেলোয়ার হোসেনসহ তার ২ জন সহযোগীকে, শাহজাহানপুর এলাকার ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মোঃ রাব্বিসহ তার ৬ জন সহযোগীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।এ সকল ছিনতাইকারীদের আইনের আওতায় আনার ফলে পথচারীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসবে বলে আমরা দৃঢ় আশাবাদী। রাজধানীবাসী এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত হতে রাজধানীতে আগত যাত্রীরা যাতে নিরাপদে ঈদের কেনাকাটা করে নির্বিঘনে স্বস্তির সাথে বাড়ী ফিরে যেতে পারেন, এলক্ষ্য নিয়ে আমাদের ছিনতাইকারী, অজ্ঞানপার্টি এবং মলমপার্টির চক্রের বিরুদ্ধে র্যাবের সাড়াঁশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেন জানান,লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ,বিজিবিএম, পিবিজিএম,পিএসসি সিইও র্যাব-৩ ।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ


























