০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

সংসদের ২০তম অধিবেশন চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত

দশম জাতীয় সংসদের ২০তম অধিবেশন শুরু হয়েছে। ৮ এপ্রিল (রোববার) শুরু হওয়া এ অধিবেশন ১২ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৫ কার্যদিস চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। খবর বাসসের

সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ‘কার্য উপদেষ্টা কমিটির ২০তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কমিটির সভাপতি স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন। কমিটির সদস্য সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া কমিটির সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, রাশেদ খান মেনন, আ.স.ম. ফিরোজ, মইন উদ্দীন খান বাদল এবং আনিসুল হক সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় প্রতিদিন বিকেল ৫টায় অধিবেশন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে প্রয়োজনে এ সময় স্পিকার পরিবর্তন করতে পারবেন বলেও সিদ্ধান্ত হয় ।

সভার শুরুতে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় কমিটির পক্ষ থেকে স্পিকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সকলেই এই অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য বিশেষ করে এ অর্জন বাংলাদেশের জনগণের। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পারে এবং কেউ বাংলাদেশকে দাবায়ে রাখতে পারবে না।

সভায় জানানো হয়, সংসদে পাসের অপেক্ষায় একটি, কমিটিতে পরীক্ষাধীন ১১টি ও উত্থাপনের অপেক্ষায় ৪টিসহ মোট ১৬টি বিল এবং অনিষ্পন্ন ৯টি বেসরকারি বিল এ অধিবেশনে রয়েছে। এ অধিবেশনে উত্থাপনের জন্য কোন বেসরকারি বিলের নোটিশ পাওয়া যায়নি।

এছাড়া এ অধিবেশনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৬৩টি ও সাধারণ প্রশ্ন ১ হাজার ১৬৪টিসহ মোট ১ হাজার ২২৭টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া সিদ্ধান্ত প্রস্তাব ১০৬টি ও মনোযোগ আকষর্ণের ৩৬টি নোটিশ পাওয়া গেছে।

সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. আবদুর রব হাওলাদার সভার কার্যপত্র উপস্থাপন করেন। সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সংসদের ২০তম অধিবেশন চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত

প্রকাশিত : ০৭:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ এপ্রিল ২০১৮

দশম জাতীয় সংসদের ২০তম অধিবেশন শুরু হয়েছে। ৮ এপ্রিল (রোববার) শুরু হওয়া এ অধিবেশন ১২ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৫ কার্যদিস চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। খবর বাসসের

সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ‘কার্য উপদেষ্টা কমিটির ২০তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কমিটির সভাপতি স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন। কমিটির সদস্য সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া কমিটির সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, রাশেদ খান মেনন, আ.স.ম. ফিরোজ, মইন উদ্দীন খান বাদল এবং আনিসুল হক সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় প্রতিদিন বিকেল ৫টায় অধিবেশন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে প্রয়োজনে এ সময় স্পিকার পরিবর্তন করতে পারবেন বলেও সিদ্ধান্ত হয় ।

সভার শুরুতে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় কমিটির পক্ষ থেকে স্পিকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সকলেই এই অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য বিশেষ করে এ অর্জন বাংলাদেশের জনগণের। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পারে এবং কেউ বাংলাদেশকে দাবায়ে রাখতে পারবে না।

সভায় জানানো হয়, সংসদে পাসের অপেক্ষায় একটি, কমিটিতে পরীক্ষাধীন ১১টি ও উত্থাপনের অপেক্ষায় ৪টিসহ মোট ১৬টি বিল এবং অনিষ্পন্ন ৯টি বেসরকারি বিল এ অধিবেশনে রয়েছে। এ অধিবেশনে উত্থাপনের জন্য কোন বেসরকারি বিলের নোটিশ পাওয়া যায়নি।

এছাড়া এ অধিবেশনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৬৩টি ও সাধারণ প্রশ্ন ১ হাজার ১৬৪টিসহ মোট ১ হাজার ২২৭টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া সিদ্ধান্ত প্রস্তাব ১০৬টি ও মনোযোগ আকষর্ণের ৩৬টি নোটিশ পাওয়া গেছে।

সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. আবদুর রব হাওলাদার সভার কার্যপত্র উপস্থাপন করেন। সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।