চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীররা পূর্বঘোষিত আন্দোলনের অংশ হিসেবে সব ধরনের ক্লাস বর্জন করেছে।
সোমবার সকাল হতে তারা ক্লাস বর্জন করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় জটলা করতে থাকে। ফলে বেশিরভাগ বিভাগে ক্লাস ও কোনো ধরনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে মনোবিজ্ঞান বিভাগের তাসনিম জান্নাতি বলেন, পুর্বঘোষিত আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমরা সব ধরণের ক্লাস বর্জন করছি। কোটা সংস্কার আন্দোলন আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের তাজিজুল ইসলাম বলেন, যারা কোটা সংস্কারের পক্ষে আন্দোলন করছে আমরা তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি। এ কারণে আমরা সব ক্লাস বর্জন করছি। বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই, তাই আমরা এ বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার সংস্কার চাই।
এদিকে আন্দোলনকারীদের ঠেকাতে ক্যাম্পাসে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তাছাড়া ছাত্রলীগের একটি সূত্র জানায়, আন্দোলনকারীদের ঠেকাতে ক্যাম্পাসে শক্ত অবস্থান নিয়েছে শাখা ছাত্রলীগ। সকাল থেকে ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে কোটা সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিতে উৎসাহিত করতে দেখা যায়।
ক্যাম্পাসের গেটে অবস্থান নেয়া কোতয়ালী থানার এসআই মশিউর রহমান বলেন, আন্দোলনকারীরা যদি গেট পার হতে চেষ্টা করে। তবে আমরা তাদের বুঝাবো। আপাতত অ্যাকশনে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই।
উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীদের উপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে আজ সোমবার থেকে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় সব ধরণের ক্লাস বর্জনের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। এর প্রেক্ষিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরা সকল ক্লাস বর্জন করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়েছে।


























