০৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার এ বরখাস্তের আদেশ জারি করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) ড. মো: আবু তাহের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

রেজিস্ট্রার ড. তাহের সাংবাদিকদের জানান, দুই ছাত্রী ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রাধ্যক্ষ জি এম আজমল আলী কাওসারের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন। এতে আজমল আলী কাওসারের বিরুদ্ধে সরকারী চাকরির শৃঙ্খলা বিধিমালা ১৯৮৫ এর ৩ (বি) ধারা অনুযায়ী অসাদাচরণ প্রতীয়মান হওয়ায় ঐ বিধিমালার ১১ (১) ধারানুযায়ী তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পরবর্তি নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না। তবে তিনি মূল বেতনের অর্ধেক প্রাপ্ত হবেন।

তার বিরুদ্ধে অনিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে কবে নাগাদ তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এমন প্রশ্নে রেজিস্ট্রার ড. আবু তাহের সাংবাদিকদের জানান, উপাচার্যের নির্দেশে বিষয়টি ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘যৌন নির্যাতন অভিযোগ কল্পে প্রতিরোধ কমিটি’তে প্রেরণ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সান্ধ্যকালীন কোর্সের (ইএমবিএ) দুই ছাত্রী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আজমল আলী কাওসারের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। জনাব আজমল আলী বিগত কয়েক মাস ধরে ঐ ছাত্রীদেরকে সরাসরি ও ফেইসবুকের ক্ষুদে বার্তায় অশ্লীল কথা ও কুপ্রস্তাব দেন। এমনকি তিনি এক ছাত্রীকে নিজের আপত্তিকর ছবিও পাঠান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

প্রকাশিত : ০৯:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ এপ্রিল ২০১৮

যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার এ বরখাস্তের আদেশ জারি করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) ড. মো: আবু তাহের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

রেজিস্ট্রার ড. তাহের সাংবাদিকদের জানান, দুই ছাত্রী ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রাধ্যক্ষ জি এম আজমল আলী কাওসারের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন। এতে আজমল আলী কাওসারের বিরুদ্ধে সরকারী চাকরির শৃঙ্খলা বিধিমালা ১৯৮৫ এর ৩ (বি) ধারা অনুযায়ী অসাদাচরণ প্রতীয়মান হওয়ায় ঐ বিধিমালার ১১ (১) ধারানুযায়ী তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পরবর্তি নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না। তবে তিনি মূল বেতনের অর্ধেক প্রাপ্ত হবেন।

তার বিরুদ্ধে অনিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে কবে নাগাদ তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এমন প্রশ্নে রেজিস্ট্রার ড. আবু তাহের সাংবাদিকদের জানান, উপাচার্যের নির্দেশে বিষয়টি ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘যৌন নির্যাতন অভিযোগ কল্পে প্রতিরোধ কমিটি’তে প্রেরণ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সান্ধ্যকালীন কোর্সের (ইএমবিএ) দুই ছাত্রী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আজমল আলী কাওসারের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। জনাব আজমল আলী বিগত কয়েক মাস ধরে ঐ ছাত্রীদেরকে সরাসরি ও ফেইসবুকের ক্ষুদে বার্তায় অশ্লীল কথা ও কুপ্রস্তাব দেন। এমনকি তিনি এক ছাত্রীকে নিজের আপত্তিকর ছবিও পাঠান।