০৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

হাতিয়ায় সন্ত্রাসীর গুলিতে শিশু নিহত

নোয়াখালীর হাতিয়া পৌরসভার খবির মিয়ার বাজারে ‘সন্ত্রাসী’র গুলিতে এক শিশু নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন শিশুটির বাবা। রোববার রাত ৮টার দিকে এই গুলির ঘটনা ঘটে। রাতেই শিশুটি মারা যায়।

নিহত শিশুর নাম নীরব (১০)। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন শিশুটির বাবা মো. মিরাজ উদ্দিন (৩২)। নিহত নীরব স্থানীয় রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৮টার দিকে খবির মিয়ার বাজারে মিরাজ ও তাঁর শিশুছেলের ওপর হামলা চালান মো. জিন্নুর নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি। এ সময় মিরাজ ও তাঁর ছেলে দৌড় দিলে জিন্নুর এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। এতে ছেলেসহ বাবা গুলিবিদ্ধ হন। তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে নেওয়া হয় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে রাত সাড়ে ১২টার দিকে শিশু নীরবকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী চিকিৎসা কর্মকর্তা বিমান চন্দ্র আচার্য বলেন, শিশু নীরবের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছররা গুলির চিহ্ন ছিল। তার বাবার হাত ও পিঠে গুলির চিহ্ন রয়েছে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান শিকদার বলেন, জিন্নুর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তাঁর সঙ্গে মিরাজের বিরোধ ছিল। পূর্বশত্রুতার জেরে এই গুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামলা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

হাতিয়ায় সন্ত্রাসীর গুলিতে শিশু নিহত

প্রকাশিত : ১২:০৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ এপ্রিল ২০১৮

নোয়াখালীর হাতিয়া পৌরসভার খবির মিয়ার বাজারে ‘সন্ত্রাসী’র গুলিতে এক শিশু নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন শিশুটির বাবা। রোববার রাত ৮টার দিকে এই গুলির ঘটনা ঘটে। রাতেই শিশুটি মারা যায়।

নিহত শিশুর নাম নীরব (১০)। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন শিশুটির বাবা মো. মিরাজ উদ্দিন (৩২)। নিহত নীরব স্থানীয় রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৮টার দিকে খবির মিয়ার বাজারে মিরাজ ও তাঁর শিশুছেলের ওপর হামলা চালান মো. জিন্নুর নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি। এ সময় মিরাজ ও তাঁর ছেলে দৌড় দিলে জিন্নুর এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। এতে ছেলেসহ বাবা গুলিবিদ্ধ হন। তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে নেওয়া হয় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে রাত সাড়ে ১২টার দিকে শিশু নীরবকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী চিকিৎসা কর্মকর্তা বিমান চন্দ্র আচার্য বলেন, শিশু নীরবের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছররা গুলির চিহ্ন ছিল। তার বাবার হাত ও পিঠে গুলির চিহ্ন রয়েছে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান শিকদার বলেন, জিন্নুর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তাঁর সঙ্গে মিরাজের বিরোধ ছিল। পূর্বশত্রুতার জেরে এই গুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামলা হবে।