১১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

জরিমানার বিধান রেখে কালো টাকা সাদা করা হবে

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূইয়া বলেছেন, এবারের বাজেটেও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকবে। তবে এবার জরিমানার বিধান রেখে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে প্রাক বাজেট আলোচনায় আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব কালো টাকা সাদার করার দাবি করলে তিনি এ কথা বলেন।

সভায় এনবিআরের সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন। এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এই সুযোগ না দিলে বিদেশে অর্থ পাচার ও দেশে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্থ হবে। এজন্য জরিমানার বিধান রেখে বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হবে।

রিহাবের প্রথম সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুবিধার পাশাপাশি রেজিস্ট্রেশন ব্যয় নির্ধারণ করে আবাসন খাতে সেকেন্ডারি বাজার ব্যবস্থার প্রচলন করতে হবে। অর্থাৎ রেজিস্ট্রেশন ফি, স্ট্যাম্প ডিউটি, গেইন ট্যাক্স কমিয়ে ৩.৫ শতাংশ করা, সাপ্লাইয়ার ভ্যাট ও উৎস কর সংগ্রহের দায়িত্ব থেকে পাঁচ বছর ডেভেলপারদেরকে অব্যাহতি এবং আবাসন খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সিঙ্গেল ডিজিট সুদে দীর্ঘমেয়াদী রি-ফাইন্যান্সিং চালু এবং ২০ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠনের প্রস্তাব করছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

জরিমানার বিধান রেখে কালো টাকা সাদা করা হবে

প্রকাশিত : ০২:৩০:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৮

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূইয়া বলেছেন, এবারের বাজেটেও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকবে। তবে এবার জরিমানার বিধান রেখে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে প্রাক বাজেট আলোচনায় আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব কালো টাকা সাদার করার দাবি করলে তিনি এ কথা বলেন।

সভায় এনবিআরের সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন। এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এই সুযোগ না দিলে বিদেশে অর্থ পাচার ও দেশে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্থ হবে। এজন্য জরিমানার বিধান রেখে বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হবে।

রিহাবের প্রথম সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুবিধার পাশাপাশি রেজিস্ট্রেশন ব্যয় নির্ধারণ করে আবাসন খাতে সেকেন্ডারি বাজার ব্যবস্থার প্রচলন করতে হবে। অর্থাৎ রেজিস্ট্রেশন ফি, স্ট্যাম্প ডিউটি, গেইন ট্যাক্স কমিয়ে ৩.৫ শতাংশ করা, সাপ্লাইয়ার ভ্যাট ও উৎস কর সংগ্রহের দায়িত্ব থেকে পাঁচ বছর ডেভেলপারদেরকে অব্যাহতি এবং আবাসন খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সিঙ্গেল ডিজিট সুদে দীর্ঘমেয়াদী রি-ফাইন্যান্সিং চালু এবং ২০ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠনের প্রস্তাব করছি।