ছাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ সত্য নয়। এগুলো গুজব। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে একটি দুষ্টচক্র গভীর ষড়যন্ত্রে নেমেছে। হয়রানির মতো কিছু হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের এ তথ্য তিনি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে অপতথ্য প্রচার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করায় সুফিয়া কামাল হলের তিন ছাত্রীকে তাদের অভিভাবকের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সুফিয়া কামাল হলের অন্তত ৫০ ছাত্রীকে হল ত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে বলে হল প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে।
খবর পেয়ে সাংবাদিকরা ও বিভিন্ন হলের আবাসিক ছাত্ররা হলটির সামনে গিয়ে অবস্থান নেন। তবে এদিন রাতেই উপাচার্য সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ নাকচ করেন।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত হল কর্তৃপক্ষকে ছাত্রীদের একের পর এক বের করে দিতে দেখা যায়। গভীর রাতে অভিভাবকদের সুফিয়া কামাল হল থেকে তাদের সন্তানকে এসে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এ সময় হল প্রশাসনের নিষেধের কারণে ছাত্রীদের অভিভাবকরা সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
উল্লেখ্য, সুফিয়া কামাল হল কর্তৃপক্ষ ছাত্রী লাঞ্ছনাসহ ১১ এপ্রিল সংঘটিত ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। সেই কমিটি ছাত্রী লাঞ্ছনার অভিযোগ থেকে ছাত্রলীগ নেত্রী এশাকে অব্যাহতি দিয়ে উল্টো ২৬ ছাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণের সুপারিশ করে।

























