০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

আকবর আলী খানের জানাজা বাদ জুমা

আকবর আলী খান

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আকবর আলী খানের জানাজা বাদ জুমা রাজধানীর গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে (আজাদ মসজিদ) অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। আজ শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় তার লাশ এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসায় নেওয়া হয়। আকবর আলী খানের নাতি আশিকুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার পর রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান ৮৮ বছর বয়সী বিশিষ্ট এই অর্থনীতিবিদ।এর আগে, বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা জানান, হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে।

বিশিষ্ট এ অর্থনীতিবিদ ১৯৪৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরে কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ এবং পিএইচডি করেন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন। সেসময় সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে কাজ করেন তিনি। এ অপরাধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই তার বিচার করে পাকিস্তান সরকার। দেওয়া হয় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।

বিজনেস বাংলাদেশ/হাবিব

জনপ্রিয়

নকল ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে নওগাঁর পরীক্ষা কেন্দ্রে বডি-ওর্ন ক্যামেরা

আকবর আলী খানের জানাজা বাদ জুমা

প্রকাশিত : ১১:১৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আকবর আলী খানের জানাজা বাদ জুমা রাজধানীর গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে (আজাদ মসজিদ) অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। আজ শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় তার লাশ এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসায় নেওয়া হয়। আকবর আলী খানের নাতি আশিকুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার পর রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান ৮৮ বছর বয়সী বিশিষ্ট এই অর্থনীতিবিদ।এর আগে, বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা জানান, হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে।

বিশিষ্ট এ অর্থনীতিবিদ ১৯৪৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরে কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ এবং পিএইচডি করেন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন। সেসময় সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে কাজ করেন তিনি। এ অপরাধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই তার বিচার করে পাকিস্তান সরকার। দেওয়া হয় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।

বিজনেস বাংলাদেশ/হাবিব