০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

চলে গেলেন কবি বেলাল চৌধুরী

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি বেলাল চৌধুরী আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

তার বড় ছেলে আবদুল্লাহ প্রতীক চৌধুরী কবির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোয়া ১২টার পরে লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হয়।

দীর্ঘ দিন ধরে কিডনি, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন এই কবি। মূত্রনালিতে ইনফেকশনের কারণে বেলাল চৌধুরী ‘সেফটিসেমিয়া’ রোগেও ভুগছিলেন।

১৯৩৮ সালের ১২ নভেম্বর ফেনী উপজেলার শর্শদি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কবি বেলাল চৌধুরী। তার পিতা রফিকউদ্দিন আহমাদ চৌধুরী ও মা মুনীর আখতার খাতুন চৌধুরানী।

বেলাল চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে আবির্ভূত একজন আধুনিক বাঙালি কবি। তিনি সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং সম্পাদক হিসেবেও খ্যাতিমান।

তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের ‘নিষাদ প্রদেশে’, ‘আত্মপ্রতিকৃতি’, ‘স্থিরজীবন ও নিসর্গ’, ‘স্বপ্নবন্দী’, ‘সেলাই করা ছায়া’, ‘কবিতার কমলবনে’, ‘যাবজ্জীবন সশ্রম উল্লাসে’ ও ‘বত্রিশ নম্বর’ উল্লেখযোগ্য।

সাহিত্যক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি ২০১৪ সালে একুশে পদক পান। এ ছাড়াও বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারও পেয়েছেন কবি বেলাল চৌধুরী।

বেলাল চৌধুরী দীর্ঘদিন ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাস প্রকাশিত ‘ভারত বিচিত্রা’ পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চলে গেলেন কবি বেলাল চৌধুরী

প্রকাশিত : ০১:১৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৮

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি বেলাল চৌধুরী আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

তার বড় ছেলে আবদুল্লাহ প্রতীক চৌধুরী কবির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোয়া ১২টার পরে লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হয়।

দীর্ঘ দিন ধরে কিডনি, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন এই কবি। মূত্রনালিতে ইনফেকশনের কারণে বেলাল চৌধুরী ‘সেফটিসেমিয়া’ রোগেও ভুগছিলেন।

১৯৩৮ সালের ১২ নভেম্বর ফেনী উপজেলার শর্শদি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কবি বেলাল চৌধুরী। তার পিতা রফিকউদ্দিন আহমাদ চৌধুরী ও মা মুনীর আখতার খাতুন চৌধুরানী।

বেলাল চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে আবির্ভূত একজন আধুনিক বাঙালি কবি। তিনি সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং সম্পাদক হিসেবেও খ্যাতিমান।

তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের ‘নিষাদ প্রদেশে’, ‘আত্মপ্রতিকৃতি’, ‘স্থিরজীবন ও নিসর্গ’, ‘স্বপ্নবন্দী’, ‘সেলাই করা ছায়া’, ‘কবিতার কমলবনে’, ‘যাবজ্জীবন সশ্রম উল্লাসে’ ও ‘বত্রিশ নম্বর’ উল্লেখযোগ্য।

সাহিত্যক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি ২০১৪ সালে একুশে পদক পান। এ ছাড়াও বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারও পেয়েছেন কবি বেলাল চৌধুরী।

বেলাল চৌধুরী দীর্ঘদিন ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাস প্রকাশিত ‘ভারত বিচিত্রা’ পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।