১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

সাবেক স্বামীর সঙ্গে ‘আপস’ করলেন রকস্টার মিলা

সাবেক স্বামী পারভেজ সানজারীর কাছে দেনমোহর ও খোরপোষ চেয়ে করা মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন রকস্টার মিলা। বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার পারিবারিক আদালতে মামলাটি প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেন মিলা। এরপর ঢাকার দ্বিতীয় সিনিয়র সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারক দুরদানা রহমান আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

প্রত্যাহারের আবেদনে বলা হয়, মামলায় বাদী ও বিবাদীর আত্মীয়-স্বজন এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যস্থতায় আপস-মীমাংসা হয়েছে। বর্তমানে বিবাদীর বিরুদ্ধে এ মামলায় বাদিনী আর কোনো প্রতিকার চান না বিধায় মামলা প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করা আবশ্যক। অন্যথায় বাদীর অপূরণীয় ক্ষতি হবে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১২ মে পারভেজ সানজারীর সঙ্গে বিয়ে হয় মিলার। বিয়েতে কাবিন ধরা হয় ২৫ লাখ টাকা। এছাড়া বিয়ের সময় মিলার বাবা-মা পারভেজ সানজারীকে স্বর্ণের অলংকারসহ ৩০ লাখ টাকার আসবাবপত্র দেন।

বিয়ের পর পারভেজ প্রায়ই যৌতুক দাবি করে আসছিলেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। এছাড়া মিলাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হতো বলে দাবি করা হয় মামলায়।

উত্তরা পশ্চিম থানায় করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালের ১৬ জুন মিলার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেন পারভেজ। পরে যৌতুক হিসেবে আরও ১০ লাখ টাকা দাবি করে চাপ সৃষ্টি করেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করার মিলার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বাড়িয়ে দেন পারভেজ।

সবশেষ ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি মিলাকে তালাক দেন পারভেজ। এরপর মিলা দেনমোহর ও খোরপোষের টাকা চাইলে পারভেজ তা দিতে অস্বীকার করেন। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট দেনমোহর ও খোরপোষ বাবদ ৬৭ লাখ টাকা আদায়ের জন্য ঢাকার পারিবারিক আদালতে মামলা করেন মিলা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

সাবেক স্বামীর সঙ্গে ‘আপস’ করলেন রকস্টার মিলা

প্রকাশিত : ০৪:৪৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর ২০২২

সাবেক স্বামী পারভেজ সানজারীর কাছে দেনমোহর ও খোরপোষ চেয়ে করা মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন রকস্টার মিলা। বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার পারিবারিক আদালতে মামলাটি প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেন মিলা। এরপর ঢাকার দ্বিতীয় সিনিয়র সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারক দুরদানা রহমান আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

প্রত্যাহারের আবেদনে বলা হয়, মামলায় বাদী ও বিবাদীর আত্মীয়-স্বজন এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যস্থতায় আপস-মীমাংসা হয়েছে। বর্তমানে বিবাদীর বিরুদ্ধে এ মামলায় বাদিনী আর কোনো প্রতিকার চান না বিধায় মামলা প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করা আবশ্যক। অন্যথায় বাদীর অপূরণীয় ক্ষতি হবে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১২ মে পারভেজ সানজারীর সঙ্গে বিয়ে হয় মিলার। বিয়েতে কাবিন ধরা হয় ২৫ লাখ টাকা। এছাড়া বিয়ের সময় মিলার বাবা-মা পারভেজ সানজারীকে স্বর্ণের অলংকারসহ ৩০ লাখ টাকার আসবাবপত্র দেন।

বিয়ের পর পারভেজ প্রায়ই যৌতুক দাবি করে আসছিলেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। এছাড়া মিলাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হতো বলে দাবি করা হয় মামলায়।

উত্তরা পশ্চিম থানায় করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালের ১৬ জুন মিলার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেন পারভেজ। পরে যৌতুক হিসেবে আরও ১০ লাখ টাকা দাবি করে চাপ সৃষ্টি করেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করার মিলার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বাড়িয়ে দেন পারভেজ।

সবশেষ ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি মিলাকে তালাক দেন পারভেজ। এরপর মিলা দেনমোহর ও খোরপোষের টাকা চাইলে পারভেজ তা দিতে অস্বীকার করেন। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট দেনমোহর ও খোরপোষ বাবদ ৬৭ লাখ টাকা আদায়ের জন্য ঢাকার পারিবারিক আদালতে মামলা করেন মিলা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ