কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলায় মশার উৎপাত ভাবিয়ে তুলছে ভেড়ামারা বাসিকে। মশক নিধনে নানা রকম কার্যক্রম থাকলেও পরিকল্পনার ঘাটতি দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই কালক্ষেপণ না করে এমনই দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেয়া তাগিদ তাদের।
এ যেন ঝাঁক বেঁধে পঙ্গ পালের হামলা। মানুষের রক্তের ঘ্রাণে মুহূর্তেই হাজির লক্ষ লক্ষ মশা। অনাবিষ্কৃত মানুষের দেহ থেকে রক্ত চুষে নিতে খুব বেশি সময় লাগার কথা না। মশার হাত থেকে নিস্তার নেই এমনকি মশার কয়েল জ্বালিয়েও হাত পা ঢেকেও। মশা মারতে কম হয়নি কামান আনা। বিশেষ মৌসুম বিশেষ মশা চিহ্নিত করে মশক নিধন সম্ভব নয় বলে জানিয়ে নগরবিদরা বলছেন, কার্যক্রম চালাতে হবে বছরব্যাপী। সব মশাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে। শুধু ডেঙ্গু মশা না আমাদেরকে সব ধরনের মশা মারতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। অর্থাৎ ডেঙ্গু মশা মারব অন্য মশা বাঁচতে থাকবে এটা না। দুটোকে মিলিয়ে অর্থাৎ মশা মুক্ত ভেড়ামারা শহর চাই।
জনপ্রতিনিধিদের এমন অঙ্গীকার হওয়া উচিত মশা মুক্ত ভেড়ামারা নগর গড়তে চাই। তাহলে আমাদেরকে মশামুক্ত কার্যক্রম চালু রাখতে হবে।
হাশেম নামে এক ব্যক্তি বলেন, দেখেন না ময়লা আবর্জনার ভেতর থেকে অনেক মশা জন্ম হইতেছে। বাচ্চা-কাচ্চা, বয়স্ক-বুড়ো মানুষ সবাই মশা নিয়ে আতঙ্কে থাকে
শরিফুল নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, ভেড়ামারা পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ থেকে এমন একটি রুটিন থাকা দরকার প্রতি সপ্তাহে এসব এলাকায় মশার ঔষধ এই সেই দেওয়া হবে। আমাদের এমন কোন উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।
নাসিমা খাতুন নামে এক গৃহিণী বলেন, ভেড়ামারা পৌরসভা অথবা ভেড়ামারা উপজেলা থেকে মশা মারার ঔষধ দেওয়া হয় না। মশা মারার ওষুধ ঠিকমতো দেওয়া হলে এত মশা হতো না।
বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ




















