ঢাকা দুপুর ১২:৩৪, মঙ্গলবার, ৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব ইতিহাস সেরা: ফিফা সভাপতি

শুরু থেকেই বিশ্বকাপ আয়োজনে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে কাতার। স্টেডিয়াম থেকে শুরু করে অবকাঠামোগত ব্যবস্থাপনা, সবকিছুতেই ছিলো চমক। এমনকি চমক ছিলো মাঠের খেলাতেও। জার্মানি বা বেলজিয়ামের মতো বড় বড় দলগুলো বাদ পড়ে গেছে গ্রুপ পর্ব থেকেই, আবার মরক্কোর মতো দল উঠে গেছে কোয়ার্টারে।

মরুর বুকে প্রথম বিশ্বকাপ, আলোচনা-সমালোচনা ছিলো সেই প্রথম থেকেই। তবে কাতারের মাটিতে বিশ্বকাপের বল মাঠে গড়ানোর পর সব সমালোচনাকে পেছনে ফেলে দুর্দান্তভাবে এগিয়ে চলেছে বিশ্ব ফুটবলের এই মহাযজ্ঞ। প্রথম পর্ব আর নক-আউট পেরিয়ে এখন কোয়ার্টারের লড়াই দেখার অপেক্ষায় পুরো বিশ্ব।

সবকিছু মিলিয়ে দুর্দান্ত বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে কাতারের ওপর বেশ সন্তুষ্ট বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো। ফিফার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ইনফ্যান্তিনোর এক বিবৃতিতে জানা যায়, তার (ইনফ্যান্তিনো) মতে কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বই বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা।

বিবৃতিতে ইনফ্যান্তিনো বলেন, ‘কাতার বিশ্বকাপের সবগুলো ম্যাচ দেখেছি। খুব সহজে ও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, এটি বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা গ্রুপ পর্ব ছিল। একইসঙ্গে স্টেডিয়ামগুলোর মান ছিল দারুণ এবং দর্শকের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো, গড়ে ৫১,০০০ দর্শক দেখা গেছে ম্যাচগুলোতে।’

শুধু মাঠেরই নয়, টিভির দর্শকদের কথা উল্লেখ করেও ফিফা সভাপতি বলেন, ‘টেলিভিশনে সংখ্যাটা রেকর্ড ভেঙেছে। আমরা ইতোমধ্যে ২০০ কোটির বেশি দর্শক পেয়েছি টেলিভিশনে, যা সত্যিই অবিশ্বাস্য! ২৫ লাখ মানুষ দোহার রাস্তায় দাঁড়িয়ে এবং লাখো মানুষ প্রতিদিন স্টেডিয়ামে এসে খেলা দেখেছেন। তারা একইসঙ্গে উল্লাস করেছেন এবং নিজেদের দলকে সমর্থন দিয়েছেন।’

বড় দলগুলোর ধরাশয়ী হওয়া বা ছোট দলগুলোর চমক দেখানো নিয়ে ইনফ্যান্তিনো বলেন, ‘এখন আর বড় দল ও ছোট দল বলে কিছু নেই। সবার মানই প্রায় কাছাকাছি। প্রথমবারের মতো সব মহাদেশের জাতীয় দল নকআউট পর্বে গেল। এটাই প্রমাণ করে যে, ফুটবল এখন বৈশ্বিক একটি খেলা।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

এ বিভাগের আরও সংবাদ