০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

দেশে করোনার চতুর্থ ডোজ টিকা কার্যক্রম শুরু

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকার চতুর্থ ডোজ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে সারাদেশে একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর।

আহমেদুল কবীর বলেন, করোনা টিকার অ্যান্টিবডি বেশিদিন থাকে না। এজন্য সরকার চতুর্থ ডোজ করোনা টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। সারা দেশে প্রায় ৪ কোটি মানুষ চতুর্থ ডোজ নেওয়ার মতো রয়েছেন। তবে আপাতত ৫টি ক্যাটাগরিতে এই টিকা দেওয়া হবে।

এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে টিকা কেন্দ্রগুলোকে কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হচ্ছে:
১. চতুর্থ ডোজ হিসেবে ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে।
২. তৃতীয় ডোজ প্রাপ্তির পর চার মাস অতিবাহিত হয়েছে এমন ব্যক্তিদের চতুর্থ ডোজ দেওয়া যাবে।
ক. ৬০ বছর এবং এর বেশি বয়সী ব্যক্তি টিকা পাবেন।
খ. দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ১৮ বছর এবং এর বেশি বয়সী জনগোষ্ঠী টিকা পাবেন।
গ. স্বল্প রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীকে টিকা দেওয়া হবে।
ঘ. গর্ভবতী মহিলা এবং দুগ্ধদানকারী মাকে টিকা দেওয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

দেশে করোনার চতুর্থ ডোজ টিকা কার্যক্রম শুরু

প্রকাশিত : ০১:২৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২২

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকার চতুর্থ ডোজ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে সারাদেশে একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর।

আহমেদুল কবীর বলেন, করোনা টিকার অ্যান্টিবডি বেশিদিন থাকে না। এজন্য সরকার চতুর্থ ডোজ করোনা টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। সারা দেশে প্রায় ৪ কোটি মানুষ চতুর্থ ডোজ নেওয়ার মতো রয়েছেন। তবে আপাতত ৫টি ক্যাটাগরিতে এই টিকা দেওয়া হবে।

এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে টিকা কেন্দ্রগুলোকে কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হচ্ছে:
১. চতুর্থ ডোজ হিসেবে ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে।
২. তৃতীয় ডোজ প্রাপ্তির পর চার মাস অতিবাহিত হয়েছে এমন ব্যক্তিদের চতুর্থ ডোজ দেওয়া যাবে।
ক. ৬০ বছর এবং এর বেশি বয়সী ব্যক্তি টিকা পাবেন।
খ. দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ১৮ বছর এবং এর বেশি বয়সী জনগোষ্ঠী টিকা পাবেন।
গ. স্বল্প রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীকে টিকা দেওয়া হবে।
ঘ. গর্ভবতী মহিলা এবং দুগ্ধদানকারী মাকে টিকা দেওয়া হবে।