০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

দক্ষিণের সঙ্গে মিলিয়ে টাইম জোন পরিবর্তন করলো উ. কোরিয়া

গত সপ্তাহের আন্তকোরীয় সম্মেলনের পর দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মেলাতে নিজেদের ‘টাইম জোন’ পরিবর্তন করেছে উত্তর কোরিয়া। দুই কোরিয়ার মধ্যে আলোচনার পর উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে নেওয়া ‘প্রথম’ এই পদক্ষেপকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় (জিএমটি ১৫) উত্তর কোরিয়া তাদের ঘড়ির কাঁটা আধা ঘণ্টা এগিয়ে নেয়।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী ২২ মে হোয়াইট হাউসে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জ্য-ইনের সঙ্গে দেখা হবে ট্রাম্পের। উত্তরের নেতা কিমের সঙ্গে আগামী সপ্তাহে বৈঠক রয়েছে। বৈঠকে ‘খুব ভালো’ কিছু নিয়ে আলোচনা হবে। কবে, কোথায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে তা শিগগিরই জানিয়ে দেওয়া হবে।

এতদিন পর্যন্ত উত্তর কোরিয়া যে সময় দেখে চলত সেটা ছিল দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান থেকে আধা ঘণ্টা পিছিয়ে।

এর আগে গত শুক্রবার (২৭ এপ্রিল) দু’দেশের সীমান্তবর্তী গ্রাম ‘পানমুনজমে’ উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার দুই প্রেসিডেন্ট কিম জং-উন ও মুন জে-ইন ঐতিহাসিক বৈঠকের পর পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে একমত হয়। এরপর যৌথ ঘোষণায় সই করেন কিম ও মুন।

দুই নেতা যে বাড়িতে ঐতিহাসিক বৈঠক করেন, সেটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘পিস হাউস’ বা শান্তির বাড়ি। এই শান্তির বাড়িতে কিম ও মুনের মধ্যে আলোচনার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইয়ুন ইয়াং-চ্যান এক বিবৃতিতে বলেন, দুই রাষ্ট্রপ্রধান কোরীয় উপদ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ ও দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠা নিয়ে আন্তরিক ও খোলামেলা আলোচনা করেছেন। তারা গুরুত্বের সঙ্গে আলাপ করেছেন আন্তঃকোরিয়া সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়টি নিয়েও।

চ্যানের ওই বিবৃতির পর দেওয়া যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, ‘পুরোপুরি পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের মাধ্যমে পরমাণুমুক্ত কোরিয়া উপদ্বীপ গড়ে তোলার অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া দৃঢ়ভাবে একমত। কোরীয় উপদ্বীপে আর কখনও যুদ্ধ হবে না। আর এখান থেকেই শান্তির নবযুগের সূচনা হলো।’

যৌথ ঘোষণায় জানানো হয়, আগামী মে মাসেই পিয়ংইয়ং ও সিউলের শীর্ষ পর্যায়ের সামরিক সংলাপ হবে। পূর্ণমাত্রায় চুক্তিকে এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনকে নিয়ে বহুপাক্ষিক সংলাপও করবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দক্ষিণের সঙ্গে মিলিয়ে টাইম জোন পরিবর্তন করলো উ. কোরিয়া

প্রকাশিত : ০১:১৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ মে ২০১৮

গত সপ্তাহের আন্তকোরীয় সম্মেলনের পর দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মেলাতে নিজেদের ‘টাইম জোন’ পরিবর্তন করেছে উত্তর কোরিয়া। দুই কোরিয়ার মধ্যে আলোচনার পর উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে নেওয়া ‘প্রথম’ এই পদক্ষেপকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় (জিএমটি ১৫) উত্তর কোরিয়া তাদের ঘড়ির কাঁটা আধা ঘণ্টা এগিয়ে নেয়।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী ২২ মে হোয়াইট হাউসে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জ্য-ইনের সঙ্গে দেখা হবে ট্রাম্পের। উত্তরের নেতা কিমের সঙ্গে আগামী সপ্তাহে বৈঠক রয়েছে। বৈঠকে ‘খুব ভালো’ কিছু নিয়ে আলোচনা হবে। কবে, কোথায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে তা শিগগিরই জানিয়ে দেওয়া হবে।

এতদিন পর্যন্ত উত্তর কোরিয়া যে সময় দেখে চলত সেটা ছিল দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান থেকে আধা ঘণ্টা পিছিয়ে।

এর আগে গত শুক্রবার (২৭ এপ্রিল) দু’দেশের সীমান্তবর্তী গ্রাম ‘পানমুনজমে’ উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার দুই প্রেসিডেন্ট কিম জং-উন ও মুন জে-ইন ঐতিহাসিক বৈঠকের পর পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে একমত হয়। এরপর যৌথ ঘোষণায় সই করেন কিম ও মুন।

দুই নেতা যে বাড়িতে ঐতিহাসিক বৈঠক করেন, সেটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘পিস হাউস’ বা শান্তির বাড়ি। এই শান্তির বাড়িতে কিম ও মুনের মধ্যে আলোচনার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইয়ুন ইয়াং-চ্যান এক বিবৃতিতে বলেন, দুই রাষ্ট্রপ্রধান কোরীয় উপদ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ ও দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠা নিয়ে আন্তরিক ও খোলামেলা আলোচনা করেছেন। তারা গুরুত্বের সঙ্গে আলাপ করেছেন আন্তঃকোরিয়া সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়টি নিয়েও।

চ্যানের ওই বিবৃতির পর দেওয়া যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, ‘পুরোপুরি পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের মাধ্যমে পরমাণুমুক্ত কোরিয়া উপদ্বীপ গড়ে তোলার অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া দৃঢ়ভাবে একমত। কোরীয় উপদ্বীপে আর কখনও যুদ্ধ হবে না। আর এখান থেকেই শান্তির নবযুগের সূচনা হলো।’

যৌথ ঘোষণায় জানানো হয়, আগামী মে মাসেই পিয়ংইয়ং ও সিউলের শীর্ষ পর্যায়ের সামরিক সংলাপ হবে। পূর্ণমাত্রায় চুক্তিকে এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনকে নিয়ে বহুপাক্ষিক সংলাপও করবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া।