০৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

মাহি এমপি হলে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই : ডা. মুরাদ

ডা. মুরাদ হাসান ও মাহিয়া মাহি

ডা. মুরাদ হাসান এমপি বলেন, ‘মাহিয়া মাহি আওয়ামী লীগের এমপি হলে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। এটি সম্পূর্ণ দলীয় বিষয়।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট) আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি।

শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের হাতে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। ইতোমধ্যে তার এমপি প্রার্থী হওয়ার খবরে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এবার এ বিষয়ে কথা বলেছেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপি।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দলের সভানেত্রী, ওবায়দুল কাদের চাচা দলের সাধারণ সম্পাদক; তারা যা ভালো মনে করবেন সেই সিদ্ধান্তই নেবেন। আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন বোর্ড আছে, তারাও সিদ্ধান্ত নেবেন কে এমপি হবে, কে মনোনয়ন পাবে।’

গত বছরের শেষ দিকে মাহিয়া মাহিকে নিয়ে ফোনালাপ ফাঁসকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিত্ব হারান ডা. মুরাদ হাসান এমপি। বিষয়টি নিয়ে সে সময় বেশ জলঘোলা হয়েছে। অডিও ক্লিপটি প্রসঙ্গে ডা. মুরাদ বলেন, রাজনীতি করলে শত্রুতা থাকবেই। কে কীভাবে ষড়যন্ত্র করেছে, এটা বলতে পারবো না। আমি দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

জনপ্রিয়

দিল্লিতে আইসা সভাপতি নেহা বোরা, প্রশান্ত ভূষণসহ আটক ১৫০

মাহি এমপি হলে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই : ডা. মুরাদ

প্রকাশিত : ১১:১৩:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২২

ডা. মুরাদ হাসান এমপি বলেন, ‘মাহিয়া মাহি আওয়ামী লীগের এমপি হলে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। এটি সম্পূর্ণ দলীয় বিষয়।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট) আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি।

শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের হাতে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। ইতোমধ্যে তার এমপি প্রার্থী হওয়ার খবরে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এবার এ বিষয়ে কথা বলেছেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপি।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দলের সভানেত্রী, ওবায়দুল কাদের চাচা দলের সাধারণ সম্পাদক; তারা যা ভালো মনে করবেন সেই সিদ্ধান্তই নেবেন। আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন বোর্ড আছে, তারাও সিদ্ধান্ত নেবেন কে এমপি হবে, কে মনোনয়ন পাবে।’

গত বছরের শেষ দিকে মাহিয়া মাহিকে নিয়ে ফোনালাপ ফাঁসকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিত্ব হারান ডা. মুরাদ হাসান এমপি। বিষয়টি নিয়ে সে সময় বেশ জলঘোলা হয়েছে। অডিও ক্লিপটি প্রসঙ্গে ডা. মুরাদ বলেন, রাজনীতি করলে শত্রুতা থাকবেই। কে কীভাবে ষড়যন্ত্র করেছে, এটা বলতে পারবো না। আমি দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব