আগামী ১০ মে বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’ ফ্লোরিডার লঞ্চ প্যাড থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে।
সোমবার উৎক্ষেপণের নতুন সময় ঠিক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির প্রধান শাহজাহান মাহমুদ।
এর আগে, ৪ মে উৎক্ষেপণের কথা থাকলেও সেদিন উৎক্ষেপণ করা হয়নি। অবশ্য ফ্লোরিডার স্থানীয় সময় গত শুক্রবার সন্ধ্যায় অরল্যান্ডোতে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশের স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এখন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরালে অবস্থিত স্পেস এক্সের লঞ্চ প্যাডে। ওই লঞ্চ প্যাড থেকেই মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটে করে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হবে। এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইট বিশ্বে নাম লেখাবে বাংলাদেশ।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে অর্থায়নের জন্য হংকং সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশনের (এইচএসবিসি) সঙ্গে গত বছর প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকার ঋণচুক্তি করা হয়। সরকার আশা করছে, এ উপগ্রহ উেক্ষপণের পর বিদেশি স্যাটেলাইটের ভাড়া বাবদ বছরে ১৪ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে বাংলাদেশের। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে, যার ২০টি বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে। আর বাকিগুলো ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে।
স্যাটেলাইট পাঠানোর কাজটি বিদেশে হলেও এটি নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশ থেকেই। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে গাজীপুরের জয়দেবপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়ায়। যা নিয়ন্ত্রণে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশনের যন্ত্রপাতিও আমদানি করেছে বিটিআরসি।























