০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬

স্টার্টআপ বিনিময় করবে বাংলাদেশ-জাপান

স্টার্টআপ সংস্কৃতির বিকাশে বাংলাদেশ-জাপান স্টার্টআপ বিনিময় করবে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি। এ সময় তারা দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে, বিশেষ করে আইসিটি খাতে যৌথ সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন।

এ সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা স্টার্টআপ, উদ্ভাবন ও গবেষণার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি।

তিনি স্টার্টআপ সংস্কৃতির বিকাশে বাংলাদেশ-জাপান স্টার্টআপ বিনিময়, জাপান-বাংলাদেশ আইটি সামিট, জাপান-বাংলাদেশ আইটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে প্রস্তাব করেন। বাংলাদেশের ২৫টি স্টার্টআপ এবং জাপানের ২৫টি স্টার্টআপ মোট ৫০টি স্টার্টআপ বিনিময়ের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত একমত পোষণ করেন। এছাড়া, বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করাসহ অন্যান্য বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত।

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি বলেন, বাংলাদেশ সরকার দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ ও জাপানের একসঙ্গে কাজ করার বেশ সুযোগ আছে।

ট্যাগ :

গজারিয়ায় ২৪ জুলাইয়ের স্মৃতিচারণ: গুমের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন মারুফ মিয়াজি

স্টার্টআপ বিনিময় করবে বাংলাদেশ-জাপান

প্রকাশিত : ০১:৫১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩

স্টার্টআপ সংস্কৃতির বিকাশে বাংলাদেশ-জাপান স্টার্টআপ বিনিময় করবে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি। এ সময় তারা দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে, বিশেষ করে আইসিটি খাতে যৌথ সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন।

এ সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা স্টার্টআপ, উদ্ভাবন ও গবেষণার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি।

তিনি স্টার্টআপ সংস্কৃতির বিকাশে বাংলাদেশ-জাপান স্টার্টআপ বিনিময়, জাপান-বাংলাদেশ আইটি সামিট, জাপান-বাংলাদেশ আইটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে প্রস্তাব করেন। বাংলাদেশের ২৫টি স্টার্টআপ এবং জাপানের ২৫টি স্টার্টআপ মোট ৫০টি স্টার্টআপ বিনিময়ের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত একমত পোষণ করেন। এছাড়া, বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করাসহ অন্যান্য বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত।

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি বলেন, বাংলাদেশ সরকার দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ ও জাপানের একসঙ্গে কাজ করার বেশ সুযোগ আছে।