কক্সবাজারের মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ- ফ্লোটিং স্টোরেজ এন্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) থেকে এখন ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
বুধবার সন্ধ্যা থেকে বেড়েছে ২৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ দেওয়া পেট্রোবাংলার প্রতিষ্ঠান রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) চট্টগ্রামের উপ-মহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) প্রকৌশলী মো. নাছির উদ্দীন।
তিনি বলেন, বর্তমানে ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সঞ্চালন করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এফএসআরইউ কয়েকদিনের মধ্যে পুরোপুরি মেরামত সম্পন্ন হলে পুরোদমে গ্যাস সঞ্চালন শুরু হবে।
এর আগে, গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির এফএসআরইউতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় টার্মিনালটির পুরো অপারেশন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আমদানিকৃত এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রাকৃতিক গ্যাস সবররাহ অর্ধেকে নেমে আসে। নিয়মিতভাবে ৯৫০ থেকে এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে আরপিজিসিএল।
এদিকে, গ্যাস সংকটে ৫ আগস্ট তৈরি পোশাক খাতে দেশের অন্যতম বৃহত্তম রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ইপিজেডে প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপ তাদের নয়টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে। তাছাড়া, দেশে চলমান গ্যাস সংকটে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে দ্রুত সমাধানের আহবান জানিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি খলিলুর রহমান।
ডিএস.



















