০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

গজারিয়ায় ২৪ জুলাইয়ের স্মৃতিচারণ: গুমের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন মারুফ মিয়াজি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় বিএনপি নেতা, মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য ও জুলাই যুদ্ধা মারুফ মিয়াজি ২৪ জুলাইয়ের ঘটনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে দাবি করেছেন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে গুমের শিকার হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সংবাদকর্মীদের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে মারুফ মিয়াজি বলেন, তিনি দীর্ঘদিন জেলা ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন এবং সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমান মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতনের ঘনিষ্ঠ কর্মী হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে ১১টি মামলা দায়ের করা হয় এবং পরবর্তীতে তাঁকে গুম করা হয়।

মারুফ মিয়াজির ভাষ্য অনুযায়ী, ২৪ জুলাই তাঁকে কৌশলে আটক করা হয়। কয়েকদিন অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি দাবি করেন, ২৮ জুলাই অর্থ আদায় ও বিভিন্ন শর্তের বিনিময়ে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, আজ ৫ আগস্ট, দীর্ঘ দুই বছর পর আন্দোলন-সংগ্রামের সেই মামলা ও গুমের বিভীষিকাময় স্মৃতি আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তবে সেই সময়ের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা আজও আমাকে তাড়িয়ে বেড়ায়।

তিনি আরও বলেন, আমি দলের আদর্শ ও দেশের স্বার্থে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে যে নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, তা জীবনের একটি বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে থাকবে।

মারুফ মিয়াজি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো নাগরিককে রাজনৈতিক কারণে এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয় এবং অতীতের ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রমজানে ১১ পণ্যের এলসি খোলা সহজ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

গজারিয়ায় ২৪ জুলাইয়ের স্মৃতিচারণ: গুমের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন মারুফ মিয়াজি

প্রকাশিত : ০৪:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় বিএনপি নেতা, মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য ও জুলাই যুদ্ধা মারুফ মিয়াজি ২৪ জুলাইয়ের ঘটনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে দাবি করেছেন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে গুমের শিকার হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সংবাদকর্মীদের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে মারুফ মিয়াজি বলেন, তিনি দীর্ঘদিন জেলা ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন এবং সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমান মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতনের ঘনিষ্ঠ কর্মী হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে ১১টি মামলা দায়ের করা হয় এবং পরবর্তীতে তাঁকে গুম করা হয়।

মারুফ মিয়াজির ভাষ্য অনুযায়ী, ২৪ জুলাই তাঁকে কৌশলে আটক করা হয়। কয়েকদিন অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি দাবি করেন, ২৮ জুলাই অর্থ আদায় ও বিভিন্ন শর্তের বিনিময়ে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, আজ ৫ আগস্ট, দীর্ঘ দুই বছর পর আন্দোলন-সংগ্রামের সেই মামলা ও গুমের বিভীষিকাময় স্মৃতি আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তবে সেই সময়ের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা আজও আমাকে তাড়িয়ে বেড়ায়।

তিনি আরও বলেন, আমি দলের আদর্শ ও দেশের স্বার্থে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে যে নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, তা জীবনের একটি বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে থাকবে।

মারুফ মিয়াজি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো নাগরিককে রাজনৈতিক কারণে এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয় এবং অতীতের ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

ডিএস./