উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বাজেট নাই এমনটাই বলছেন কর্তৃপক্ষ। কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স খুব গুরুত্বপূর্ণ মেয়াদ উত্তীর্ণ ফায়ার এক্সটিংগুইসার নামের অগ্নি নিরাপক কাজে ব্যবহৃত হয় এমন একটিযন্ত্র যার মাধ্যমে আগুন লেগে গেলে আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। এই জিনিসটি বাজেট না থাকার কারণে পুনরায় রিফিল করা হয়নি এমনটাই বলছে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার নুরুল আমিন। নাকি শুধুই অবহেলার কারণে দেখার কেউ নাই এমনটাই মনে করছে রোগীর স্বজনেরা। আজ সোমবার ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ভেড়ামারা হাসপাতালে নোংরা পরিবেশে চলছে চিকিৎসা সেবা। ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনের তুলনায় কম লোক বল। অন্যদিকে রোগী ও স্বজনদের নানান অভিযোগের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। যার ফলে যথাপোযুক্ত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা। সমস্ত হাসপাতাল ঘুরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কর্মীদের দেখা মেলা ভার। প্রতিটি ওয়ার্ড, বারান্দা এবং চলাফেরা রাস্তার আনাচে-কানাচে যত্রতত্র দেখা যায় ময়লা আবর্জনা ও বিভিন্ন প্রকার বর্জ্য। অধিকাংশ টয়লেটেরই বেহাল দশা। তারপরও জীবন রক্ষার্থে তা ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে রোগী এবং স্বজনেরা।
বাহাদুরপুর থেকে ৬ বছর নাতিকে নিয়ে গত তিন দিন হাসপাতালে আছেন জাহানারা বেগম তিনি জানান, সকাল থেকে কেউ ঝাড়ু দিতে আসে নাই। ২ মাসের বাচ্চা নিয়ে পাঁচ দিন হাসপাতালে আছেন ধরমপুরের রহিমা নামে। তিনি জানান হাসপাতালে টয়লেটের অবস্থা এতই খারাপ যে বিপদে না পড়লে যেতে চায়না। বাথরুমে প্রচুর নোংরা অন্যদিকে হাসপাতালের প্রতিটা ওয়ার্ডে প্রতিদিন রোগীর তথ্য হালনাগাদ করার জন্য বোর্ড থাকলেও তা করা হয় না। হাসপাতালের বোর্ডে সর্বশেষ রোগীর তথ্য হালনাগাদ করা হয়েছিল ২৫শে জানুয়ারি ২০২৩ যা এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান আছে। প্রতিদিন কেন হাল লাগাত করা হয় না জানতে চাইলে হয়ে যাবে। হাসপাতালের প্রবেশ মুখে একটি তালাযুক্ত অভিযোগ বক্স আছে। বক্সের তালায় জং ধরা। কতদিন খোলা হয় না জানে না কেউ। অভিযোগ দিলেও কর্তৃপক্ষ পর্যন্ত পৌঁছায় কিনা সে প্রশ্ন সবার মাঝে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার নুরুল আমিন এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে আমি দেখবো সকালে হয়ে যাবে। রোগীর তথ্য হালনাগাদ এর বিষয়ে কথোপক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার নুরুল আমিন এর সাথে হলেনতিনি বলেন, আপডেটের বিষয়ে আমি দেখব যাতে নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়।

















