আগামী ১৫ মে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ সম্ভব নয়, যদি আজ বুধবারও আদালত নির্বাচন করার নির্দেশ দিত তাহলেও সম্ভব ছিল বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।
গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
সিইসি বলেন, ভোট গ্রহণের আগে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ এবং প্রায় ১২ হাজার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা প্রয়োজন। কিন্তু স্বল্প সময়ে এতো জনবল মোতায়েন করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, তবে আদালত যদি ১৫ মে ভোট গ্রহণের আদেশ আগামীকাল বৃহস্পতিবার দেন, তাহলে নির্দেশ মেনে এই সময়ে ভোট গ্রহণ আমাদের করতেই হবে।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুই মেয়র প্রার্থীর আবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের আপিলের শুনানি হবে বৃহস্পতিবার।
এর আগে গত রবিবার গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করে হাইকোর্ট।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীরের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদ হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খন্দকার ইয়াসির আরেফিন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তারিফুজ্জামান ও এনডিসি কুদরত এ খুদা জুয়েল প্রমুখ।
মতবিনিময় সভার আগে সিইসি গাজীপুর জেলা নির্বাচন অফিস পরির্দশন করেন।
মতবিনিময় সভায় গাজীপুর জেলা নির্বাচন অফিস পরিদর্শন, সার্ভার স্টেশন, স্মার্ট কার্ড, নির্বাচন অফিসের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন কেএম নুরুল হুদা।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে তিনি গাজীপুরে পৌঁছেন। গাজীপুর সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও তা স্থগিত হওয়ার পর এটাই তার গাজীপুরে প্রথম সফর।




















