০৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জে ইমাম হত্যা: ১১ জনের যাবজ্জীবন

১৮ বছর আগে চাঞ্চল্যকর কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় ইমাম মেরাজ উদ্দিন মুন্সি হত্যা মামলায় ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়াও মামলার অপর ১০ আসামিকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার আট আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

বুধবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু তাহের আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আল্লাদ শাহ, মোকলেছুর রহমান শাহ, আতাউর রহমান শাহ, শামসুদ্দিন শাহ, শফির উদ্দিন শাহ, রঞ্জন শাহ, অহিদ শাহ, চন্দন শাহ, আসলাম, মন্টু মিয়া ও জামাল শাহ।

কিশোরগঞ্জ জেলা জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট শাহ আজিজুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০০০ সালের ২৪ মার্চ সকালে কটিয়াদী উপজেলার ধুলদিয়া ইউনিয়নের সূতিনকলা গ্রামে ধানকাটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মারা যান স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম মেরাজ উদ্দিন মুন্সি ওরফে আবু জাহের। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আবু বকর বাদী হয়ে ২৭ মার্চ ৩১ জনকে আসামি করে কটিয়াদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ২২ নভেম্বর ৩৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ত্রিশালে বাবার হাতে শিশু ছেলে খুন, সৎ মা-সহ বাবা গ্রেফতার

কিশোরগঞ্জে ইমাম হত্যা: ১১ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত : ০৩:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ মে ২০১৮

১৮ বছর আগে চাঞ্চল্যকর কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় ইমাম মেরাজ উদ্দিন মুন্সি হত্যা মামলায় ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়াও মামলার অপর ১০ আসামিকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার আট আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

বুধবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু তাহের আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আল্লাদ শাহ, মোকলেছুর রহমান শাহ, আতাউর রহমান শাহ, শামসুদ্দিন শাহ, শফির উদ্দিন শাহ, রঞ্জন শাহ, অহিদ শাহ, চন্দন শাহ, আসলাম, মন্টু মিয়া ও জামাল শাহ।

কিশোরগঞ্জ জেলা জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট শাহ আজিজুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০০০ সালের ২৪ মার্চ সকালে কটিয়াদী উপজেলার ধুলদিয়া ইউনিয়নের সূতিনকলা গ্রামে ধানকাটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মারা যান স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম মেরাজ উদ্দিন মুন্সি ওরফে আবু জাহের। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আবু বকর বাদী হয়ে ২৭ মার্চ ৩১ জনকে আসামি করে কটিয়াদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ২২ নভেম্বর ৩৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।