চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় তার বোন ফাতেমা বেগম ও বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড তারিক হোসেন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এ সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করে আগামী ২৮ মার্চ সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।
আসামিরা হলেন- শিমুর স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও এস এম ফরহাদ। এদিন সাক্ষ্য গ্রহণকালে আসামিদের আদালত থেকে হাজির করা হয়। এ নিয়ে মামলাটিতে ৬ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।
গত বছর ২৯ নভেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
মামলা থেকে জানা যায়, গত ১৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়ভাবে সংবাদ পেয়ে কলাতিয়া ফাঁড়ির পুলিশ এবং কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ও কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হযরতপুর ইউনিয়ন পরিষদের আলীপুর ব্রিজ থেকে ৩০০ গজ উত্তর পাশে পাকা রাস্তা সংলগ্ন ঝোপের ভেতর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় অজ্ঞাতনামা ৩২ বছর বয়সী এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আঙুলের ছাপ নেয়া হয়। পোস্টমর্টেমের জন্য মরদেহটি মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে মরদেহের নাম পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তদন্তকালে জানা যায়, মরদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর। দাম্পত্য কলহের জেরে ১৬ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক ৭-৮ টার মধ্যে যেকোনো সময় খুন হন শিমু।
শিমুকে হত্যার ঘটনায় তার ভাই হারুনুর রশীদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত করে গত ২৯ আগস্ট কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম দুইজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ


























