০১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন সিনেটে ঋণসীমা বাড়ানোর বিল পাস

যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটে অনুমোদন পেলো বহুল আলোচিত ও প্রত্যাশিত ফিসকাল রেসপনসিবিলিটি বিল। সাধারণ ভাষায় যাকে ডেবট সিলিং বা ঋণসীমা বাড়ানোর বিল বলা হচ্ছে। সিনেটের অনুমোদনের মাধ্যমে বিলটি আইনে পরিণত হলো। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণের সর্বোচ্চ সীমা বাড়ানো হবে। এতে দেশটি ঋণখেলাপি হওয়া এড়াতে পারবে।

ঋণসীমা বাড়ানোর বিষয়ে ওয়াশিংটনে অচলাবস্থা চলছিল। দফায় দফায় আলোচনার পর গত সপ্তাহের শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি সমঝোতার ঘোষণা দেন। এরপর বুধবার প্রতিনিধি পরিষদে বিলটি পাস হয়।

৬৩ জনের মধ্যে ৩৬ জন সিনেটর আইনটির পক্ষে ভোট দেন।

বাইডেন বিলের অনুমোদনকে দেশ এবং অর্থনীতির জন্য একটি ‘বড় জয়’ বলে অবহিত করেছেন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তিনি এটিতে স্বাক্ষর করবেন।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের সীমা ৩১ লাখ ৪০ হাজার কোটি ডলার। নতুন চুক্তি অনুযায়ী, ঋণসীমা দুই বছরের জন্য বাড়ানো হবে। অন্যথায়, আগামী ৫ জুন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ ফুরিয়ে আসবে এবং অর্থনৈতিক ধস নেমে দেশটি ঋণখেলাপি হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মার্কিন সিনেটে ঋণসীমা বাড়ানোর বিল পাস

প্রকাশিত : ১১:৫৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুন ২০২৩

যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটে অনুমোদন পেলো বহুল আলোচিত ও প্রত্যাশিত ফিসকাল রেসপনসিবিলিটি বিল। সাধারণ ভাষায় যাকে ডেবট সিলিং বা ঋণসীমা বাড়ানোর বিল বলা হচ্ছে। সিনেটের অনুমোদনের মাধ্যমে বিলটি আইনে পরিণত হলো। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণের সর্বোচ্চ সীমা বাড়ানো হবে। এতে দেশটি ঋণখেলাপি হওয়া এড়াতে পারবে।

ঋণসীমা বাড়ানোর বিষয়ে ওয়াশিংটনে অচলাবস্থা চলছিল। দফায় দফায় আলোচনার পর গত সপ্তাহের শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি সমঝোতার ঘোষণা দেন। এরপর বুধবার প্রতিনিধি পরিষদে বিলটি পাস হয়।

৬৩ জনের মধ্যে ৩৬ জন সিনেটর আইনটির পক্ষে ভোট দেন।

বাইডেন বিলের অনুমোদনকে দেশ এবং অর্থনীতির জন্য একটি ‘বড় জয়’ বলে অবহিত করেছেন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তিনি এটিতে স্বাক্ষর করবেন।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের সীমা ৩১ লাখ ৪০ হাজার কোটি ডলার। নতুন চুক্তি অনুযায়ী, ঋণসীমা দুই বছরের জন্য বাড়ানো হবে। অন্যথায়, আগামী ৫ জুন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ ফুরিয়ে আসবে এবং অর্থনৈতিক ধস নেমে দেশটি ঋণখেলাপি হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব