১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

উত্তর কোরিয়ার হুঁশিয়ারি, ট্রাম্প-মুন ফোনালাপ

১২ জুন অনুষ্ঠিতব্য উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সম্মেলনটি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে ফোনালাপ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন। দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একের পর এক মহড়া এবং উত্তর কোরিয়ার ওপর শর্তারোপের ফলে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন সম্মেলনটিতে বাতিলের হুঁশিয়ারি দেয়ার পর এ ফোনালাপে অংশ নিলেন দুই নেতা।

রবিবার টেলিফোনে ট্রাম্প ও মুন এ বিষয়ে প্রায় ২০ মিনিট কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। প্রসঙ্গত, এ পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে আনতে মধ্যস্থতায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৬ মে কিম জং উন হুঁশিয়ার করে বলেন, পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ট্রাম্প যদি উত্তর কোরিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করে তাহলে আসন্ন বৈঠকে দেশটির নেতা কিম জং উন আদৌ বসবেন কিনা তা পুনর্বিবেচনা করা হবে। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স সংবাদমাধ্যমকে জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার জন্য এখনো তৈরি।

তবে গত বৃহস্পতিবার আবার ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, উত্তর কোরিয়া পরমাণু অস্ত্র নিষ্ক্রিয় না করলে লিবিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মুয়াম্মার গাদ্দাফির মতো অবস্থা হবে কিমের। পরমাণু অস্ত্র নিষ্ক্রিয় করলে উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতায় কিম জং উনই থাকবেন বলেও প্রস্তাব দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

উত্তর কোরিয়ার হুঁশিয়ারি, ট্রাম্প-মুন ফোনালাপ

প্রকাশিত : ১২:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মে ২০১৮

১২ জুন অনুষ্ঠিতব্য উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সম্মেলনটি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে ফোনালাপ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন। দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একের পর এক মহড়া এবং উত্তর কোরিয়ার ওপর শর্তারোপের ফলে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন সম্মেলনটিতে বাতিলের হুঁশিয়ারি দেয়ার পর এ ফোনালাপে অংশ নিলেন দুই নেতা।

রবিবার টেলিফোনে ট্রাম্প ও মুন এ বিষয়ে প্রায় ২০ মিনিট কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। প্রসঙ্গত, এ পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে আনতে মধ্যস্থতায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৬ মে কিম জং উন হুঁশিয়ার করে বলেন, পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ট্রাম্প যদি উত্তর কোরিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করে তাহলে আসন্ন বৈঠকে দেশটির নেতা কিম জং উন আদৌ বসবেন কিনা তা পুনর্বিবেচনা করা হবে। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স সংবাদমাধ্যমকে জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার জন্য এখনো তৈরি।

তবে গত বৃহস্পতিবার আবার ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, উত্তর কোরিয়া পরমাণু অস্ত্র নিষ্ক্রিয় না করলে লিবিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মুয়াম্মার গাদ্দাফির মতো অবস্থা হবে কিমের। পরমাণু অস্ত্র নিষ্ক্রিয় করলে উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতায় কিম জং উনই থাকবেন বলেও প্রস্তাব দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।