০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

না ফেরার দেশে চলে গেল মুক্তামনি

বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু মুক্তামনিকে আর বাঁচানো গেল না। সাতক্ষীরার সদর উপজেলার কামারবাসা গ্রামের নিজ বাড়িতে বুধবার সকাল ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মুক্তামনির বাবা ইব্রাহীম হোসেন একথা জানিয়েছেন।

মুক্তামনি বিরল রক্তনালীর টিউমারে আক্রান্ত ছিল। সম্প্রতি তার শরীর বেশ খারাপ হয়ে পড়েছিল। বেশ কয়েকদিন ধরেই সে জ্বরে ভুগছিল এবং তার ডান হাতটি আরো ফুলে গিয়েছিল। মঙ্গলবার রাত থেকে তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

ইব্রাহিম হোসেন জানান, তিনি আবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগাযোগ করেছিলেন, চিকিৎসকরা ঈদের পর মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় যেতে বলেছিলেন। কিন্তু তার আগেই সব ছেড়ে চলে গেল মুক্তামনি।

মুদি দোকানি ইব্রাহিমের মেয়ে মুক্তামনির ডান হাতে দেড় বছর বয়সে একটি ছোট গোটা দেখা দেয়। পরে তা বাড়তে থাকে।

হাতে বিকট আকৃতির ফোলা নিয়ে গত ১১ জুলাই ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হয় মুক্তামনি। চিকিৎসকরা তার রোগ শনাক্ত করেন রক্তনালীর এক ধরনের টিউমার হিসেবে, যাকে চিকিৎসার পরিভাষায় বলা হয় হেমানজিওমা।

ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসকের একটি দল মুক্তামনির হাতে ছয় দফা জটিল অস্ত্রোপচার করেন। কিছুটা ভালো বোধ করলে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর তাকে বাড়ি ফেরার অনুমতি দেন চিকিৎসকরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

না ফেরার দেশে চলে গেল মুক্তামনি

প্রকাশিত : ১০:০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ মে ২০১৮

বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু মুক্তামনিকে আর বাঁচানো গেল না। সাতক্ষীরার সদর উপজেলার কামারবাসা গ্রামের নিজ বাড়িতে বুধবার সকাল ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মুক্তামনির বাবা ইব্রাহীম হোসেন একথা জানিয়েছেন।

মুক্তামনি বিরল রক্তনালীর টিউমারে আক্রান্ত ছিল। সম্প্রতি তার শরীর বেশ খারাপ হয়ে পড়েছিল। বেশ কয়েকদিন ধরেই সে জ্বরে ভুগছিল এবং তার ডান হাতটি আরো ফুলে গিয়েছিল। মঙ্গলবার রাত থেকে তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

ইব্রাহিম হোসেন জানান, তিনি আবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগাযোগ করেছিলেন, চিকিৎসকরা ঈদের পর মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় যেতে বলেছিলেন। কিন্তু তার আগেই সব ছেড়ে চলে গেল মুক্তামনি।

মুদি দোকানি ইব্রাহিমের মেয়ে মুক্তামনির ডান হাতে দেড় বছর বয়সে একটি ছোট গোটা দেখা দেয়। পরে তা বাড়তে থাকে।

হাতে বিকট আকৃতির ফোলা নিয়ে গত ১১ জুলাই ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হয় মুক্তামনি। চিকিৎসকরা তার রোগ শনাক্ত করেন রক্তনালীর এক ধরনের টিউমার হিসেবে, যাকে চিকিৎসার পরিভাষায় বলা হয় হেমানজিওমা।

ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসকের একটি দল মুক্তামনির হাতে ছয় দফা জটিল অস্ত্রোপচার করেন। কিছুটা ভালো বোধ করলে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর তাকে বাড়ি ফেরার অনুমতি দেন চিকিৎসকরা।