বাংলাদেশে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের সার্বিক প্রচেষ্টায়, বর্তমান সরকার ক্ষমতা আসার পর ২০০৯ সালে হতে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সেবার উপর প্রভূত কাজ করে যাচ্ছে। সরকার সকল জনগণ বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মৌলিক স্বাস্থ্য সুবিধাসমূহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়নের ফলে বদলে যাচ্ছে সিরাজগঞ্জের গ্রামীণ স্বাস্থ্য সেবা ।
সংশ্লিষ্ট অফিস সূত্রে জানা যায় , সিরাজগঞ্জে স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর থেকে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে জেলায় শুরু হয় বিভিন্ন উন্নয়নযজ্ঞ, এর মধ্যে রয়েছে জেলায় মোট ৭৭৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক। ৭টি উপজেলা হাসপাতালকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে, ২০ টি ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। মেডিক্যাল এ্যসিষ্টেন ট্রেনিং স্কুল নির্মাণ, শেখ হাসিনা নার্সিং কলেজ, সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ১০০ শয্যা হতে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ করা হয়েছে। কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চলের ইউনিয়নগুলোতে ১০ শয্যা মা ও শিশু কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। কাজিপুরে আমিনা মনসুর টেক্সাটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, শহীদ এম মনসুর আলী আইএসটি (ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি), পরিবার পরিকল্পনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মেডিক্যাল অ্যাসিসস্টেন্ট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, কাজিপুর উপজেলায় মাইজবাড়ী ইউনিয়নে মেডিক্যাল এ্যসিষ্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল, কাজিপুর উপজেলায় মাইজবাড়ী ইউনিয়নে ঋডঠঞও, শেখ হাসিনা নার্সিং ইনস্টিটিউট সদর উপজেলার ভেওয়ামারা এলাকায়, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র পুনঃ নির্মাণ, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মনসুরনগর থানা, এইচইডি ইন্সপেকশন বাংলো নির্মাণ। কাজিপুর উপজেলার নাটুয়ারপাড়া এইচইডি ইন্সপেকশন বাংলো নির্মাণ, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় শেখ হাসিনা ট্রমা সেন্টার (মুলিবাড়ী), কামারখন্দ উপজেলায় চৌবাড়ীতে নির্মাণ, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার নার্সিং কলেজ উর্দ্ধমুখীকরণ, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় খোকসাবাড়ীতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নিমার্ণ, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় কাওয়াকোলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নিমার্ণ, সিরাজগঞ্জ জেলা কাজিপুর উপজেলাধীন মাইজবাড়ী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নিমার্ণ, সিরাজগঞ্জ জেলা চৌহালী উপজেলাধীন বাকুটিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নিমার্ণ, সিরাজগঞ্জ জেলা চৌহালী উপজেলাধীন স্থল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নিমার্ণ হাজার টাকা, সিরাজগঞ্জ জেলা চৌহালী উপজেলাধীন ওমরপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নিমার্ণ, সিরাজগঞ্জ জেলা কাজিপুর উপজেলাধীন তেকানী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নিমার্ণ, সিরাজগঞ্জ জেলা শাহজাদপুর উপজেলাধীন ৭নং হাবিবুল্লাহনগর (রতনকান্দি) ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নিমার্ণ।
জেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নিবার্হী কর্মকর্তা জনাব ফারুক আহমেদ জানান, স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর থেকে জেলায় বিভিন্ন উন্নয়নযজ্ঞের কাজ প্রায় শেষ, জনসাধারণকে তাদের কাঙ্খিত সেবা দিতে মন্ত্রণালয় থেকে জনবল নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান সরকার সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের রেখে যাওয়া কর্মকান্ড গুলো অব্যহত রেখেছে।
জেলা সিভিল সার্জন রামপদ রায় জানান, সিরাজগঞ্জ স্বাস্থ্যখাতে অভ্যুতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। জেলার সকল স্বাস্থ্যখাতের প্রতিষ্ঠানগুলো চালু হলে, এ জেলার পাশাপাশি দূরবর্তী জেলার জনসাধারণও তাদের কাঙ্খিত সেবা পাবে। যদিও বর্তমানে পরিপূর্ণ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ঘারতি আছে, মন্ত্রণালয়ে প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানের জনবলের ব্যাপারে চাহিদা পাঠানো হয়েছে, আশা করি দ্রুত ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় লোকবল পাওয়া যাবে।
সিরাজগঞ্জ -১ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর শাকিল জয় বলেন , আমার পিতা সারা জীবন দেশ ও জাতির জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি দেশের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ছিলেন, দেশের প্রতিটি জেলার তার উন্নয়নকর্মযজ্ঞ গুলোর কাজ প্রায় শেষের দিকে, বর্তমানে মন্ত্রণালয় থেকে জনবল নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে
সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাক্তার হাবিবে মিল্লাত মুন্না বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে মধ্যে অতীতের সকল সরকারের আমলে যে উন্নয়ন হয়েছে তার চেয়ে বর্তমান সরকার ১৫ বছরে দেশে বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ ও কামারখন্দে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন কাজ হয়েছে এবং আর কিছু কাজ চলমান রয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা আ.লীগের সভাপতি কেএম হোসেন আলী হাসান জানান, সিরাজগঞ্জের প্রতিটি উপজেলায় উন্নয়নের বর্তমান সরকারের ছোঁয়া লেগে আছে। শহর রক্ষা বাঁধ, জেলার রাস্তাঘাট, থানা স্থাপন ও তার আধুনিকায়ন, পাসপোর্ট অফিস, ভূমি অফিস, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও জেলায় সকল স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ঠ হাসপাতল এবং এর প্রকৌশল অফিস অসংখ্য কাজ করা হয়েছে।




















