০৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

গণতন্ত্রে বিশ্বাস করলে সহনশীল হতেই হবে: প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, ‘যদি আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, বহুদলে বিশ্বাস করি, তাহলে সহনশীল হতেই হবে। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করলে একে অপরের প্রতি সহনশীল হতেই হবে। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করব আর সহনশীল হব না, এটা গণতন্ত্রের চর্চা বলা যাবে না।’

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ আলোচনা সভাটির আয়োজন করা হয়।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমরা যদি একাত্তরকে মেনে নেই, সংবিধান মেনে নেই, গণতন্ত্রকে মেনে নেই, তারপর যদি রাজনীতি শুরু করা যায় এবং গণতন্ত্রকে যদি ধারণ করি তাহলে আমাদের ভেতর যে দূরত্ব আছে সেটা কমে আসবে।’

হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘যে উদ্দেশ্য নিয়ে ৩০ লাখ মানুষ রক্ত দিয়েছিলেন, যে কারণে বঙ্গবন্ধু শহীদ হয়েছেন, আমার মনে হয় সেই লক্ষ্যটা পূরণ করতে পারব। আমার মতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়, এই জাতিকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য। সেই ইতিহাস থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। তারপর আমাদের আগাতে হবে। অন্যথায় বারবার আমরা এই বিপদের সম্মুখ হতেই থাকব।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আপিল বিভাগের বিচারপতি বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার প্রমুখ।

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির ‍উদ্বোধন করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। এর আগে সকালে সুপ্রিম কোর্টে নির্মিত ‘স্মৃতি চিরঞ্জীব’-এ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি । এ সময় তার সঙ্গে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

তুষারঝড়-তীব্র ঠান্ডায় বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, ৩০ জনের মৃত্যু

গণতন্ত্রে বিশ্বাস করলে সহনশীল হতেই হবে: প্রধান বিচারপতি

প্রকাশিত : ০৬:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৩

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, ‘যদি আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, বহুদলে বিশ্বাস করি, তাহলে সহনশীল হতেই হবে। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করলে একে অপরের প্রতি সহনশীল হতেই হবে। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করব আর সহনশীল হব না, এটা গণতন্ত্রের চর্চা বলা যাবে না।’

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ আলোচনা সভাটির আয়োজন করা হয়।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমরা যদি একাত্তরকে মেনে নেই, সংবিধান মেনে নেই, গণতন্ত্রকে মেনে নেই, তারপর যদি রাজনীতি শুরু করা যায় এবং গণতন্ত্রকে যদি ধারণ করি তাহলে আমাদের ভেতর যে দূরত্ব আছে সেটা কমে আসবে।’

হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘যে উদ্দেশ্য নিয়ে ৩০ লাখ মানুষ রক্ত দিয়েছিলেন, যে কারণে বঙ্গবন্ধু শহীদ হয়েছেন, আমার মনে হয় সেই লক্ষ্যটা পূরণ করতে পারব। আমার মতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়, এই জাতিকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য। সেই ইতিহাস থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। তারপর আমাদের আগাতে হবে। অন্যথায় বারবার আমরা এই বিপদের সম্মুখ হতেই থাকব।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আপিল বিভাগের বিচারপতি বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার প্রমুখ।

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির ‍উদ্বোধন করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। এর আগে সকালে সুপ্রিম কোর্টে নির্মিত ‘স্মৃতি চিরঞ্জীব’-এ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি । এ সময় তার সঙ্গে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh