০২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল প্রচারে জোর মশকনিধনে নেই কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ

নালা নিয়মিত পরিষ্কার না করায় পানির সঙ্গে আবর্জনা জমে আছে। ভেড়ামারা শহর, শহরের আশেপাশের এলাকায় মশার উৎপাত বেড়েছে। বাড়ির ভেতর, বাড়ির বাইরে, রাস্তায়, দোকান, বাজার, স্কুল, কলেজ, কোথাও মশার অত্যাচার থেকে রেহাই মিলছে না। এ কারণে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়াসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। অভিযোগ, ড্রেন ও ঝোপঝাড় নিয়মিত পরিষ্কার না করায় মশার বংশবিস্তার বাড়ছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ। যদিও প্রশাসন বলছে, দ্রুতই মশকনিধন কার্যক্রম শুরু হবে।

ভেড়ামারা শহরের ভেতর বসবাসকারীদের অভিযোগ, বাড়ির আশপাশে ফাকা জায়গাগুলো ঝোপঝাড় ও ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। এ ছাড়া বৃষ্টি হলেই বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে থাকে, যেখানে মশার লার্ভা সৃষ্টি হয়। এসব বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে প্রশাসন শুধু লোক দেখানো কাজ করছে।

ভেড়ামারা পৌরসভা ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বসবাসকারী মিজানুর রহমান বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও মশার বংশবিস্তার রোধ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এর বাইরে ডেঙ্গু ও মশকনিধনে প্রশাসনের কোনো কার্যক্রম লক্ষ করা যায়নি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে সিরাজুল ইসলাম বলেন, ব্যানার বানিয়েই শেষ। আসল কাজ কে করবে? মশা তো আর নিজে নিজে আত্মহত্যা করবে না।

মশকনিধনে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে মশাবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার মশার কামড়ে মূলত ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বত্র মশকনিধনে কীটনাশক ছিটানো প্রয়োজন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নির্বাচন অনিশ্চয়তায় ভোট হবে কি না,আদৌ জানি না-জিএম কাদের

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল প্রচারে জোর মশকনিধনে নেই কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ

প্রকাশিত : ০৬:২০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০২৩

নালা নিয়মিত পরিষ্কার না করায় পানির সঙ্গে আবর্জনা জমে আছে। ভেড়ামারা শহর, শহরের আশেপাশের এলাকায় মশার উৎপাত বেড়েছে। বাড়ির ভেতর, বাড়ির বাইরে, রাস্তায়, দোকান, বাজার, স্কুল, কলেজ, কোথাও মশার অত্যাচার থেকে রেহাই মিলছে না। এ কারণে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়াসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। অভিযোগ, ড্রেন ও ঝোপঝাড় নিয়মিত পরিষ্কার না করায় মশার বংশবিস্তার বাড়ছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ। যদিও প্রশাসন বলছে, দ্রুতই মশকনিধন কার্যক্রম শুরু হবে।

ভেড়ামারা শহরের ভেতর বসবাসকারীদের অভিযোগ, বাড়ির আশপাশে ফাকা জায়গাগুলো ঝোপঝাড় ও ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। এ ছাড়া বৃষ্টি হলেই বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে থাকে, যেখানে মশার লার্ভা সৃষ্টি হয়। এসব বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে প্রশাসন শুধু লোক দেখানো কাজ করছে।

ভেড়ামারা পৌরসভা ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বসবাসকারী মিজানুর রহমান বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও মশার বংশবিস্তার রোধ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এর বাইরে ডেঙ্গু ও মশকনিধনে প্রশাসনের কোনো কার্যক্রম লক্ষ করা যায়নি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে সিরাজুল ইসলাম বলেন, ব্যানার বানিয়েই শেষ। আসল কাজ কে করবে? মশা তো আর নিজে নিজে আত্মহত্যা করবে না।

মশকনিধনে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে মশাবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার মশার কামড়ে মূলত ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বত্র মশকনিধনে কীটনাশক ছিটানো প্রয়োজন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ