০৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকারের ওপর নির্ভর করতে হবে: সিইসি

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সরকারের ওপর নির্ভর করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার বলছি যে, আগামী সাধারণ নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর হয় সেই লক্ষ্যে আমাদের প্রয়াসের কোনো ঘাটতি থাকবে না। আমাদের আন্তরিকতায় বিন্দুমাত্র ঘাটতি থাকবে না।’

শনিবার (৭ অক্টোবর) মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আপনাদের অভিজ্ঞতা আমরা শুনতে চাই। নির্বাচনের প্রস্তুতি কতটা হয়েছে, কোনোরকম ঘাটতি রয়েছে কি না- সে বিষয়ে আপনাদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করবো। আরেকটি বিষয়ে যেটি গুরুত্বপূর্ণ আমরা বারবার করে বলেছি যে, নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ণ এবং অংশগ্রহণমূলক চাই। অংশগ্রহণমূলক বলতে আমরা জানি যে, ভোটাররা ব্যাপক সংখ্যায় আসবেন। এমন বিষয়ে আপনাদের যে দায়িত্ব রয়েছে এবং নেই- সেটাও আমরা পরিষ্কারভাবে জানাতে চেষ্টা করবো। আপনাদের যে দায়িত্ব থাকবে সেটা যেন প্রতিপালিত হয় সেই বিষয়ে আমাদের দিক থেকে দৃঢ় নির্দেশনা থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে সরকারের সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হবে। সরকারের জনপ্রশাসন, পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী- তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা সুদৃঢ় করে নির্বাচনের যে উদ্দেশ্য অর্থাৎ অবাধে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নির্বাচনের ফলাফল কীভাবে উঠে আসবে সেটা নিয়েও আলোচনা করা হবে।’

বৈঠকে অন্য নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকারের ওপর নির্ভর করতে হবে: সিইসি

প্রকাশিত : ০১:১২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০২৩

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সরকারের ওপর নির্ভর করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার বলছি যে, আগামী সাধারণ নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর হয় সেই লক্ষ্যে আমাদের প্রয়াসের কোনো ঘাটতি থাকবে না। আমাদের আন্তরিকতায় বিন্দুমাত্র ঘাটতি থাকবে না।’

শনিবার (৭ অক্টোবর) মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আপনাদের অভিজ্ঞতা আমরা শুনতে চাই। নির্বাচনের প্রস্তুতি কতটা হয়েছে, কোনোরকম ঘাটতি রয়েছে কি না- সে বিষয়ে আপনাদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করবো। আরেকটি বিষয়ে যেটি গুরুত্বপূর্ণ আমরা বারবার করে বলেছি যে, নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ণ এবং অংশগ্রহণমূলক চাই। অংশগ্রহণমূলক বলতে আমরা জানি যে, ভোটাররা ব্যাপক সংখ্যায় আসবেন। এমন বিষয়ে আপনাদের যে দায়িত্ব রয়েছে এবং নেই- সেটাও আমরা পরিষ্কারভাবে জানাতে চেষ্টা করবো। আপনাদের যে দায়িত্ব থাকবে সেটা যেন প্রতিপালিত হয় সেই বিষয়ে আমাদের দিক থেকে দৃঢ় নির্দেশনা থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে সরকারের সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হবে। সরকারের জনপ্রশাসন, পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী- তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা সুদৃঢ় করে নির্বাচনের যে উদ্দেশ্য অর্থাৎ অবাধে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নির্বাচনের ফলাফল কীভাবে উঠে আসবে সেটা নিয়েও আলোচনা করা হবে।’

বৈঠকে অন্য নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে