০৮:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পদ্মা রেল সেতু হয়ে ভাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী, ভাষণ দেবেন জনসভায়

স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগের উদ্বোধন করে ট্রেনে মাওয়া থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ভাঙ্গায় পৌঁছান তিনি। সেখানে ডা. কাজী ইউসুফ আলী স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগের জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ডিজিটাল সুইচ টিপে তিনি পদ্মা রেল সেতুর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন। পরে সেখানে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীসহ অতিথিরা। এসময় প্রধানমন্ত্রীকে পদ্মা রেল সেতুর রেপ্লিকা উপহার দেন প্রকল্প পরিচালক।

পরে নিয়ম অনুযায়ী, রেলের টিকিট কাটেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীরা। পরে ট্রেন চলাচলের রীতি হুইসেল বাজিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই এবং তিনিই পতাকা নেড়ে ট্রেন চলাচলের সংকেত দেখান। এরপর দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত থেকে ট্রেন যাত্রা শুরু করে পদ্মা নদীর ওপর দিয়ে ফরিদপুরের পথে।

সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সড়ক পথে মাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি বেলা ১১টায় মাওয়া প্রান্তে উপস্থিত হয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের সভাপতিত্বে এতে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, সেনাপ্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, চীনের রাষ্ট্রদূত ও রেল সচিব হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর বোন শেখ রেহানা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের নেতাসহ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

ঢাকা-ভাঙ্গা রেল রুট উদ্বোধন হলেও কিছুদিন পরেই এ রুটে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে চারটিতে ধানের শীষ এবং একটিতে শাপলা কলি বিজয়ী

পদ্মা রেল সেতু হয়ে ভাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী, ভাষণ দেবেন জনসভায়

প্রকাশিত : ০২:২৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩

স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগের উদ্বোধন করে ট্রেনে মাওয়া থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ভাঙ্গায় পৌঁছান তিনি। সেখানে ডা. কাজী ইউসুফ আলী স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগের জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ডিজিটাল সুইচ টিপে তিনি পদ্মা রেল সেতুর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন। পরে সেখানে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীসহ অতিথিরা। এসময় প্রধানমন্ত্রীকে পদ্মা রেল সেতুর রেপ্লিকা উপহার দেন প্রকল্প পরিচালক।

পরে নিয়ম অনুযায়ী, রেলের টিকিট কাটেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীরা। পরে ট্রেন চলাচলের রীতি হুইসেল বাজিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই এবং তিনিই পতাকা নেড়ে ট্রেন চলাচলের সংকেত দেখান। এরপর দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত থেকে ট্রেন যাত্রা শুরু করে পদ্মা নদীর ওপর দিয়ে ফরিদপুরের পথে।

সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সড়ক পথে মাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি বেলা ১১টায় মাওয়া প্রান্তে উপস্থিত হয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের সভাপতিত্বে এতে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, সেনাপ্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, চীনের রাষ্ট্রদূত ও রেল সচিব হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর বোন শেখ রেহানা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের নেতাসহ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

ঢাকা-ভাঙ্গা রেল রুট উদ্বোধন হলেও কিছুদিন পরেই এ রুটে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে